/* */
Dhaka , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাতে ভাটিপাড়া ও কুলঞ্জ ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে বজ্রপাতে দুই জন কৃষতের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত দুই ব্যক্তি হলেন-আব্দুন নূর মিয়া (৩৮)। তিনি দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। পেশায় তিনি ছিলেন কৃষক। অন্যজন হলেন-মালেক নূর (৪০)। তিনি উপজেলার ভাটিপড়া ইউনিয়নের মধুরাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল উকিল উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে মালেক নুর হাওরে নিজের জমিতে ধান মাড়ার মেশিন নিয়ে ধান মাড়াই করতে যান। সন্ধ্যা ৭টায় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি বজ্রাঘাতে আহত হয়ে জমিতে পড়ে যান। পরে হাওরে থাকা অন্য কৃষকরা দিরাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আব্দুন নূর তার গ্রামের পাশের টাংনির হাওরে কৃষি কাজ শেষে রাতের বেলা বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় হঠাৎ কালবৈশাখীর কবলে পড়েন তিনি। কোনো জায়গায় আশ্রয় নিতে না পারায় হাওরের পাশের সড়কেই দৌড়াতে থাকেন। এ সময় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে তার।

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রতন দেবনাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

আপডেটের সময় : ০৮:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাতে ভাটিপাড়া ও কুলঞ্জ ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে বজ্রপাতে দুই জন কৃষতের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত দুই ব্যক্তি হলেন-আব্দুন নূর মিয়া (৩৮)। তিনি দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। পেশায় তিনি ছিলেন কৃষক। অন্যজন হলেন-মালেক নূর (৪০)। তিনি উপজেলার ভাটিপড়া ইউনিয়নের মধুরাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল উকিল উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে মালেক নুর হাওরে নিজের জমিতে ধান মাড়ার মেশিন নিয়ে ধান মাড়াই করতে যান। সন্ধ্যা ৭টায় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি বজ্রাঘাতে আহত হয়ে জমিতে পড়ে যান। পরে হাওরে থাকা অন্য কৃষকরা দিরাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আব্দুন নূর তার গ্রামের পাশের টাংনির হাওরে কৃষি কাজ শেষে রাতের বেলা বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় হঠাৎ কালবৈশাখীর কবলে পড়েন তিনি। কোনো জায়গায় আশ্রয় নিতে না পারায় হাওরের পাশের সড়কেই দৌড়াতে থাকেন। এ সময় বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে তার।

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রতন দেবনাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট