/* */
Dhaka , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

আইএনবি ডেস্ক: আগামীকাল ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান যে, বর্তমান সরকার দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ করছে। পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনায় স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বান্দরবানের সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, নীলাচল, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, জাফলংয়ের ঝরনা, ষাট গম্বুজ মসজিদ ও হাওরের জলরাশি মিলিয়ে বাংলাদেশ পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য। পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যটনের কাঠামো ও সেবা প্রদানের ধরন বদলে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে। জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ এবং ইকো ট্যুরিজম ও কমিউনিটি ট্যুরিজমের বিকাশে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। পরিশেষে, পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটন শিল্পের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তরে সরকারি-বেসরকারি সকল অংশীজনকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

আপডেটের সময় : ১০:২২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: আগামীকাল ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান যে, বর্তমান সরকার দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ করছে। পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনায় স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বান্দরবানের সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, নীলাচল, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, জাফলংয়ের ঝরনা, ষাট গম্বুজ মসজিদ ও হাওরের জলরাশি মিলিয়ে বাংলাদেশ পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য। পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যটনের কাঠামো ও সেবা প্রদানের ধরন বদলে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে। জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ এবং ইকো ট্যুরিজম ও কমিউনিটি ট্যুরিজমের বিকাশে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। পরিশেষে, পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটন শিল্পের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তরে সরকারি-বেসরকারি সকল অংশীজনকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট