/* */
Dhaka , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অ্যাম্বুলেন্সেই পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন নারী হাজতি

যশোর প্রতিনিধি: যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের এক নারী হাজতি হাসপাতালে নেওয়ার পথে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সেই এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে যশোর-চৌগাছা সড়কের চুরামনকাটি এলাকায় এই আকস্মিক প্রসবের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে মা ও নবজাতক উভয়েই সুস্থ আছেন।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ১৯ বছর বয়সী নারী হাজতি বৃষ্টি খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে চুরামনকাটি এলাকায় পৌঁছালে তার প্রসববেদনা তীব্র আকার ধারণ করে এবং চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি সন্তান প্রসব করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে মানবিক উদ্যোগ নেয়। কারা মহাপরিদর্শকের দিকনির্দেশনায় মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া নবজাতকের জন্য জামাকাপড়, মশারি, বিছানাপত্র, ডায়পারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরে ফুল দিয়ে মা ও নবজাতককে শুভেচ্ছা জানানো এবং উপস্থিত লোকজনের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ জানান, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে সুস্থ আছেন। নবজাতকের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাম্বুলেন্সেই পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন নারী হাজতি

আপডেটের সময় : ০২:২৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোর প্রতিনিধি: যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের এক নারী হাজতি হাসপাতালে নেওয়ার পথে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সেই এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে যশোর-চৌগাছা সড়কের চুরামনকাটি এলাকায় এই আকস্মিক প্রসবের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে মা ও নবজাতক উভয়েই সুস্থ আছেন।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ১৯ বছর বয়সী নারী হাজতি বৃষ্টি খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে চুরামনকাটি এলাকায় পৌঁছালে তার প্রসববেদনা তীব্র আকার ধারণ করে এবং চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি সন্তান প্রসব করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে মানবিক উদ্যোগ নেয়। কারা মহাপরিদর্শকের দিকনির্দেশনায় মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া নবজাতকের জন্য জামাকাপড়, মশারি, বিছানাপত্র, ডায়পারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরে ফুল দিয়ে মা ও নবজাতককে শুভেচ্ছা জানানো এবং উপস্থিত লোকজনের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ জানান, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে সুস্থ আছেন। নবজাতকের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট