/* */
Dhaka , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলায় প্রধানমন্ত্রী, কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছে মানুষ

সংগৃহীত ছবি

আইএনবি ডেস্ক: সুন্দরবন, মোংলা বন্দর, নৌঘাঁটি এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে ঢাকার উদ্দেশে মোংলা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৫টায় মোংলা হেলিপ্যাড থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রীর মোংলা বন্দর সফরকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অভূতপূর্ব উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

সকালে হেলিকপ্টারে সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন সরকার প্রধান। পরবর্তীতে নৌপথে বানৌজা মোংলায় পৌঁছান তিনি। সেখানে নৌবাহিনী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভা ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দর জেটি এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন। পথিমধ্যে সড়কের দুপাশে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে গাড়ি থেকে নেমে কুশল বিনিময় করেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এমন সাধারণ ও সাদাসিধে ব্যবহারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাধারণ নাগরিকেরা।

এই সফরের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চায়না চুক্তির আধুনিকায়ন, সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, কাস্টমস হাউসের আধুনিকায়ন এবং রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকদের বৈষম্য নিরসনের দাবিগুলো নতুন গতি পাবে বলে আশা করছেন বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স, বারভিডা ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। সফরটি ঘিরে এলাকা জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল পিজিআর, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ প্রশাসন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাকার-ফ্যাসিবাদ কারো কাছেই দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়: টুকু

মোংলায় প্রধানমন্ত্রী, কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছে মানুষ

আপডেটের সময় : ১১:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: সুন্দরবন, মোংলা বন্দর, নৌঘাঁটি এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে ঢাকার উদ্দেশে মোংলা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৫টায় মোংলা হেলিপ্যাড থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রীর মোংলা বন্দর সফরকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অভূতপূর্ব উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

সকালে হেলিকপ্টারে সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন সরকার প্রধান। পরবর্তীতে নৌপথে বানৌজা মোংলায় পৌঁছান তিনি। সেখানে নৌবাহিনী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভা ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দর জেটি এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন। পথিমধ্যে সড়কের দুপাশে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে গাড়ি থেকে নেমে কুশল বিনিময় করেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এমন সাধারণ ও সাদাসিধে ব্যবহারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাধারণ নাগরিকেরা।

এই সফরের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চায়না চুক্তির আধুনিকায়ন, সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, কাস্টমস হাউসের আধুনিকায়ন এবং রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকদের বৈষম্য নিরসনের দাবিগুলো নতুন গতি পাবে বলে আশা করছেন বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স, বারভিডা ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। সফরটি ঘিরে এলাকা জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল পিজিআর, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ প্রশাসন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট