/* */
Dhaka , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত, কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আরও কম্পন

প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩৩ মিনিট) এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এবং চীন আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পার্বত্য ও দুর্গম এলাকায় কম্পনটি তীব্রভাবে অনুভূত হলেও প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সিইএনসি-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের একটি উচ্চ পার্বত্য কাউন্টিতে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্রস্থল থাকায় আশপাশের এলাকায় তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। অন্যদিকে, ইউএসজিএস-এর পরিমাপ অনুযায়ী এর গভীরতা ছিল ১৮ কিলোমিটার এবং উৎপত্তিস্থলটি নাগকু শহর থেকে প্রায় ১৮৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। অঞ্চলটির গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার এবং এটি তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

মূল শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই তিব্বত ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আরেকটি ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়। ভারতের জাতীয় ভূকম্পনবিদ্যা কেন্দ্রের (এনসিএস) তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় কম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার দূরে। নাগকু ও এর পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় তীব্র ঝাঁকুনির কারণে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে ফাঁকা রাস্তায় নেমে আসেন এবং এলাকাটি দূরবর্তী ও পার্বত্য হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাকার-ফ্যাসিবাদ কারো কাছেই দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়: টুকু

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত, কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আরও কম্পন

আপডেটের সময় : ১২:০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩৩ মিনিট) এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এবং চীন আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পার্বত্য ও দুর্গম এলাকায় কম্পনটি তীব্রভাবে অনুভূত হলেও প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সিইএনসি-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের একটি উচ্চ পার্বত্য কাউন্টিতে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্রস্থল থাকায় আশপাশের এলাকায় তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। অন্যদিকে, ইউএসজিএস-এর পরিমাপ অনুযায়ী এর গভীরতা ছিল ১৮ কিলোমিটার এবং উৎপত্তিস্থলটি নাগকু শহর থেকে প্রায় ১৮৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। অঞ্চলটির গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার এবং এটি তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

মূল শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই তিব্বত ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আরেকটি ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়। ভারতের জাতীয় ভূকম্পনবিদ্যা কেন্দ্রের (এনসিএস) তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় কম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার দূরে। নাগকু ও এর পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় তীব্র ঝাঁকুনির কারণে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে ফাঁকা রাস্তায় নেমে আসেন এবং এলাকাটি দূরবর্তী ও পার্বত্য হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট