/* */
Dhaka , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় স্ত্রীকে হত্যার ১১ বছর পর স্বামী শামিম প্রামাণিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শামিম বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার দক্ষিণ আমইন এলাকার বাসিন্দা। একই মামলায় শামিমের বাবা-মাসহ অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আশেকুর রহমান সুজন জানান, ২০১২ সালে শামিমের সঙ্গে নাজিরা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নাজিরার বাবা ইউসুফ আলী মেয়ের জামাইকে দেড় লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণ দেন। ওই সময় তিনি আরও ৫০ হাজার টাকা এক বছরের মধ্যে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন। এই টাকার জন্য স্ত্রী নাজিরাকে প্রায়ই মারধরসহ শারীরিক নির্যাতন করতেন শামিম।

পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ৫ মে দুপুরে দিকে যৌতুকের আরও ৫০ হাজার টাকা আনার জন্য নাজিরাকে চাপ দেয় শামিম। টাকা আনতে অস্বীকৃতি জানালে কাঠের খড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে নাজিরাকে হত্যা করা হয়। পরে ওইদিন রাতেই নাজিরার বাবা ইউসুফ আলী শামিম ও তার বাবা-মাসহ চারজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে শামিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। এছাড়া অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আশেকুর রহমান সুজন আরও বলেন, রায়ের পর আসামি শামিমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

বগুড়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

আপডেটের সময় : ০৫:৩৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় স্ত্রীকে হত্যার ১১ বছর পর স্বামী শামিম প্রামাণিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শামিম বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার দক্ষিণ আমইন এলাকার বাসিন্দা। একই মামলায় শামিমের বাবা-মাসহ অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আশেকুর রহমান সুজন জানান, ২০১২ সালে শামিমের সঙ্গে নাজিরা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নাজিরার বাবা ইউসুফ আলী মেয়ের জামাইকে দেড় লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণ দেন। ওই সময় তিনি আরও ৫০ হাজার টাকা এক বছরের মধ্যে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন। এই টাকার জন্য স্ত্রী নাজিরাকে প্রায়ই মারধরসহ শারীরিক নির্যাতন করতেন শামিম।

পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ৫ মে দুপুরে দিকে যৌতুকের আরও ৫০ হাজার টাকা আনার জন্য নাজিরাকে চাপ দেয় শামিম। টাকা আনতে অস্বীকৃতি জানালে কাঠের খড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে নাজিরাকে হত্যা করা হয়। পরে ওইদিন রাতেই নাজিরার বাবা ইউসুফ আলী শামিম ও তার বাবা-মাসহ চারজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে শামিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। এছাড়া অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আশেকুর রহমান সুজন আরও বলেন, রায়ের পর আসামি শামিমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট