/* */
Dhaka , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে হত্যার দায়ে ৫ জনের যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লাউদিয়া গ্রামের মাছ চাষি শফিকুল ইসলাম (টুলু) হত্যার দায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

রোববার (৩ মার্চ) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. বাহাউদ্দিন আহমেদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লাউদিয়া গ্রামের ইমান আলি ছেলে জাহিদুল ইসলাম, আফসার আলির ছেলে খোকন, আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ইলিয়াস, ইমান আলি জোয়ার্দ্দারের চেলে জসিম ও মোশারফ হোসেনের ছেলে সেলিম।

মামলার বিবরণীর বরাতে পিপি অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন জানান, নিহত শফিকুল ইসলাম টুলু বিভিন্ন লোকের কাছ খেকে পুকুর লিজ নিয়ে মাছ করতেন। ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিকালে মাছের খাবার দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আসামিরা তাকে হাতুড়ি, লোহার রড ও অন্যান্য অস্ত্রসহ আক্রমণ করে। তারা শফিকুল ইসলামকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম মারা যান। নিহতের ভাই মো. সরফুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে ঝিনাইদহ থানায় মামলা করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। সাক্ষ্য প্রমাণে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

ঝিনাইদহে হত্যার দায়ে ৫ জনের যাবজ্জীবন

আপডেটের সময় : ০৭:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লাউদিয়া গ্রামের মাছ চাষি শফিকুল ইসলাম (টুলু) হত্যার দায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

রোববার (৩ মার্চ) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. বাহাউদ্দিন আহমেদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার লাউদিয়া গ্রামের ইমান আলি ছেলে জাহিদুল ইসলাম, আফসার আলির ছেলে খোকন, আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ইলিয়াস, ইমান আলি জোয়ার্দ্দারের চেলে জসিম ও মোশারফ হোসেনের ছেলে সেলিম।

মামলার বিবরণীর বরাতে পিপি অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন জানান, নিহত শফিকুল ইসলাম টুলু বিভিন্ন লোকের কাছ খেকে পুকুর লিজ নিয়ে মাছ করতেন। ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিকালে মাছের খাবার দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আসামিরা তাকে হাতুড়ি, লোহার রড ও অন্যান্য অস্ত্রসহ আক্রমণ করে। তারা শফিকুল ইসলামকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম মারা যান। নিহতের ভাই মো. সরফুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে ঝিনাইদহ থানায় মামলা করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। সাক্ষ্য প্রমাণে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট