/* */
Dhaka , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ার প্লাইবোর্ড গুদামের আগুন ১৫ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড়ে প্লাইবোর্ড তৈরির কারখানার গুদামে লাগা আগুন টানা ১৫ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট।

রোববার (২৪ মার্চ) দুপুরে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে বাতাসের কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়ে সম্পূর্ণ কারখানায়। এ আগুনের ফুলকিতে নদীতে রাখা তিনটি ট্রলার পুড়ে গেছে।

গুদামের পাশেই নদীতে পাটখড়িবোঝাই তিনটি ট্রলার ছিল। গুদামের আগুনের ফুলকি বাতাসের মাধ্যমে ওই ট্রলারগুলোয় পড়লে মালামালসহ ট্রলারও পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।

প্রথমদিকে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, এরপর নারায়ণগঞ্জের আরও চারটি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় কুমিল্লা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের আরও কয়েকটি দল আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ওই কারখানার ৭জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।

আগামী সাতদিনের মধ্যে ঘটনার তদন্ত করে তদন্ত রিপোর্ট জেলা প্রশাসক কাছে জমার নির্দেশনা দিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাজিব খান বলেন, প্লাইবোর্ড কারখানার আগুন বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে ভালো করে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে কোথাও আগুন জ্বলছে কিনা।

 

আইএনবি/ বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

গজারিয়ার প্লাইবোর্ড গুদামের আগুন ১৫ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

আপডেটের সময় : ০৫:৩০:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড়ে প্লাইবোর্ড তৈরির কারখানার গুদামে লাগা আগুন টানা ১৫ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট।

রোববার (২৪ মার্চ) দুপুরে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে বাতাসের কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়ে সম্পূর্ণ কারখানায়। এ আগুনের ফুলকিতে নদীতে রাখা তিনটি ট্রলার পুড়ে গেছে।

গুদামের পাশেই নদীতে পাটখড়িবোঝাই তিনটি ট্রলার ছিল। গুদামের আগুনের ফুলকি বাতাসের মাধ্যমে ওই ট্রলারগুলোয় পড়লে মালামালসহ ট্রলারও পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।

প্রথমদিকে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, এরপর নারায়ণগঞ্জের আরও চারটি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় কুমিল্লা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের আরও কয়েকটি দল আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ওই কারখানার ৭জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।

আগামী সাতদিনের মধ্যে ঘটনার তদন্ত করে তদন্ত রিপোর্ট জেলা প্রশাসক কাছে জমার নির্দেশনা দিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাজিব খান বলেন, প্লাইবোর্ড কারখানার আগুন বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে ভালো করে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে কোথাও আগুন জ্বলছে কিনা।

 

আইএনবি/ বিভূঁইয়া


প্রিন্ট