/* */
Dhaka , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতালিতে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: আলমগীর হাওলাদার (৪০) নামে ইতালিতে স্ট্রোক করে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার দিকে ইতালির নেপোলি শহরে তার মৃত্যু হয়।

আলমগীর হাওলাদার শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারি ইউনিয়নের দিগম্বরপট্টি এলাকার মৃত নুরু হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে লিবিয়া হয়ে ইতালি পৌঁছায় আলমগীর হাওলাদার। পরে ইতালির নেপোলি শহরে কাজ পান তিনি। গতকাল দুপুরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচাতো ভাই মনির হাওলাদার বলেন, আমার ভাইয়ের ছোট ছোট ৩টা ছেলে-মেয়ে আছে। তারা এতিম হয়ে গেলো। আমাদের একটাই দাবি, ভাইয়ের মরদেহ দেশে দাফন করতে চাই। সরকার যেন সেই ব্যবস্থা করে দেয়।

এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করবো।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

ইতালিতে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

আপডেটের সময় : ০৬:৩১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: আলমগীর হাওলাদার (৪০) নামে ইতালিতে স্ট্রোক করে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার দিকে ইতালির নেপোলি শহরে তার মৃত্যু হয়।

আলমগীর হাওলাদার শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারি ইউনিয়নের দিগম্বরপট্টি এলাকার মৃত নুরু হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে লিবিয়া হয়ে ইতালি পৌঁছায় আলমগীর হাওলাদার। পরে ইতালির নেপোলি শহরে কাজ পান তিনি। গতকাল দুপুরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচাতো ভাই মনির হাওলাদার বলেন, আমার ভাইয়ের ছোট ছোট ৩টা ছেলে-মেয়ে আছে। তারা এতিম হয়ে গেলো। আমাদের একটাই দাবি, ভাইয়ের মরদেহ দেশে দাফন করতে চাই। সরকার যেন সেই ব্যবস্থা করে দেয়।

এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করবো।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট