/* */
Dhaka , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের দায়ে নেপালে ১০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধ ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থামেল এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও গেস্টহাউস থেকে তাদের আটক করা হয়। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘নেপাল নিউজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, হোটেল ঢাকা এক্সপ্রেস, হোটেল ডি ভেদা এবং হোটেল আল রহমানসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে, অধিকতর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ওই ১০ জনকে কালিকাস্তানের অভিবাসন বিভাগে পাঠানো হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক টিকরাম ঢাকাল জানিয়েছেন, তদন্তে দেখা গেছে গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজনের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন; এদিকে কর্তৃপক্ষ অন্যদের ভিসার অবস্থা ও কার্যকলাপ যাচাই-বাছাই করছে। দেশটির পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, দলটি থামেলের ‘মুসলিম তোল’ এলাকায় অবস্থান করছিল। মারামারি এবং ভিসার শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কার্যকলাপের অভিযোগের প্রেক্ষিতেও তাদের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— ফাহিমা আক্তার হাসান, মাহমুদ, মাহবুব হাসান, রিপন মাহমুদ, মো. কারামত আলী খান, শহিদুর রহমান, মো. খলিলুর রহমান, আরিফুর রহমান, মো. মারুফ মৃধা এবং মোহাম্মদ হানিফ মিয়া। পুলিশের সূত্র আরও জানিয়েছে, এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত খাতুন-এ-জান্নাত বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন।

এর আগেও নেপালের কর্তৃপক্ষ এমন সব ঘটনার তদন্ত করেছে, যেখানে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ থেকে তরুণদের উন্নত দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে নেপালে নিয়ে আসা এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ে রাজপথে নেমেছি: জামায়াত আমির

সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের দায়ে নেপালে ১০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আপডেটের সময় : ০৭:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধ ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থামেল এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও গেস্টহাউস থেকে তাদের আটক করা হয়। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘নেপাল নিউজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, হোটেল ঢাকা এক্সপ্রেস, হোটেল ডি ভেদা এবং হোটেল আল রহমানসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে, অধিকতর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ওই ১০ জনকে কালিকাস্তানের অভিবাসন বিভাগে পাঠানো হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক টিকরাম ঢাকাল জানিয়েছেন, তদন্তে দেখা গেছে গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজনের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন; এদিকে কর্তৃপক্ষ অন্যদের ভিসার অবস্থা ও কার্যকলাপ যাচাই-বাছাই করছে। দেশটির পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, দলটি থামেলের ‘মুসলিম তোল’ এলাকায় অবস্থান করছিল। মারামারি এবং ভিসার শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কার্যকলাপের অভিযোগের প্রেক্ষিতেও তাদের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— ফাহিমা আক্তার হাসান, মাহমুদ, মাহবুব হাসান, রিপন মাহমুদ, মো. কারামত আলী খান, শহিদুর রহমান, মো. খলিলুর রহমান, আরিফুর রহমান, মো. মারুফ মৃধা এবং মোহাম্মদ হানিফ মিয়া। পুলিশের সূত্র আরও জানিয়েছে, এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত খাতুন-এ-জান্নাত বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন।

এর আগেও নেপালের কর্তৃপক্ষ এমন সব ঘটনার তদন্ত করেছে, যেখানে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ থেকে তরুণদের উন্নত দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে নেপালে নিয়ে আসা এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট