/* */
Dhaka , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টির আশায় নেচে গেয়ে ব্যাঙের বিয়ে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ বরণ ডালা সাজিয়ে এবং নানা রকমের আঞ্চলিক গীত গেয়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে স্বস্তি পেতে বৃষ্টির আশায় নেচে গেয়ে ব্যাঙের বিয়ে দিয়েছেন । শনিবার দুপুরে থেকে ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন চলে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা বালাটারি গ্রামে।

বালাটারি গ্রামের দিনমজুর সাহাপুর আলীর স্ত্রী মল্লিকা বেগম এই বিয়ের আয়োজন করেন। তার বাড়িতে শত শত নারী, পুরুষ ও বিভিন্ন বয়সের শিশুরা ব্যাঙের বিয়েতে অংশ নিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। বিয়ে শেষে বরণ ডালায় ব্যাঙ দুটিকে নিয়ে পুরো গ্রাম ঘুরে বেড়ান তারা। এ সময় গ্রামবাসীদের কাছ থেকে চাল-ডাল সংগ্রহ করে বিয়েতে অংশ নেওয়া মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

ব্যাঙের বিয়ের আয়োজনকারী মল্লিকা বেগম জানান, কিছুদিন ধরে প্রচণ্ড গরম। গ্রামের মানুষজন স্বস্তিতে কোনো কাজ করতে পারছেন না। আগের যুগে ব্যাঙের বিয়ে দিলে বৃষ্টি হতো সেই বিশ্বাস থেকেই আজকের এই আয়োজন।

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ আজিজুল হক বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় আমাদের অনেক আবাদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা ব্যাঙের বিয়েতে অংশ নিয়েছি। আশা করছি, সৃষ্টিকর্তা বৃষ্টি দেবেন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

বৃষ্টির আশায় নেচে গেয়ে ব্যাঙের বিয়ে

আপডেটের সময় : ০৭:১১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ বরণ ডালা সাজিয়ে এবং নানা রকমের আঞ্চলিক গীত গেয়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে স্বস্তি পেতে বৃষ্টির আশায় নেচে গেয়ে ব্যাঙের বিয়ে দিয়েছেন । শনিবার দুপুরে থেকে ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন চলে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা বালাটারি গ্রামে।

বালাটারি গ্রামের দিনমজুর সাহাপুর আলীর স্ত্রী মল্লিকা বেগম এই বিয়ের আয়োজন করেন। তার বাড়িতে শত শত নারী, পুরুষ ও বিভিন্ন বয়সের শিশুরা ব্যাঙের বিয়েতে অংশ নিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। বিয়ে শেষে বরণ ডালায় ব্যাঙ দুটিকে নিয়ে পুরো গ্রাম ঘুরে বেড়ান তারা। এ সময় গ্রামবাসীদের কাছ থেকে চাল-ডাল সংগ্রহ করে বিয়েতে অংশ নেওয়া মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

ব্যাঙের বিয়ের আয়োজনকারী মল্লিকা বেগম জানান, কিছুদিন ধরে প্রচণ্ড গরম। গ্রামের মানুষজন স্বস্তিতে কোনো কাজ করতে পারছেন না। আগের যুগে ব্যাঙের বিয়ে দিলে বৃষ্টি হতো সেই বিশ্বাস থেকেই আজকের এই আয়োজন।

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ আজিজুল হক বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় আমাদের অনেক আবাদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা ব্যাঙের বিয়েতে অংশ নিয়েছি। আশা করছি, সৃষ্টিকর্তা বৃষ্টি দেবেন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট