/* */
Dhaka , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় রাস্তায় সন্তান প্রসব করলো মানসিক ভারসাম্যহীন নারী

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া রোডে সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার পাশের গলিতে শনিবার দুপুরে এক ব্যক্তি ওই নারীকে সন্তান প্রসব করা অবস্থায় দেখে পাশের এক বাড়ি থেকে কাপড় নিয়ে এসে তাকে ঢেকে দেয়। পরে পাশের এক বেসরকারি ক্লিনিকে খবর দিলে নার্স এসে তাকে চিকিৎসা দেন। ওই নারী কন্যা সন্তান প্রসব করে।

গলির মধ্যে সন্তান প্রসবের পর ওই প্রসূতি নারী কাতরাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতক সহ নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে শিশুটিকে নবজাতক ওয়ার্ডে এবং তার মাকে প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তারা দুইজনই শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন বলে জানান মুকুল।

ওসি মুকুল জানান, ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নিজের নাম নাজমা বলছে। তবে তার আর কোনও পরিচয় বলতে পারছে না। মা ও শিশুর চিকিৎসা এবং অন্যান্য প্রয়োজনে সর্বাত্মক সহায়তা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যাক্তিকেও শনাক্তের কাজ চলছে।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

বগুড়ায় রাস্তায় সন্তান প্রসব করলো মানসিক ভারসাম্যহীন নারী

আপডেটের সময় : ১০:৫৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২০

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া রোডে সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার পাশের গলিতে শনিবার দুপুরে এক ব্যক্তি ওই নারীকে সন্তান প্রসব করা অবস্থায় দেখে পাশের এক বাড়ি থেকে কাপড় নিয়ে এসে তাকে ঢেকে দেয়। পরে পাশের এক বেসরকারি ক্লিনিকে খবর দিলে নার্স এসে তাকে চিকিৎসা দেন। ওই নারী কন্যা সন্তান প্রসব করে।

গলির মধ্যে সন্তান প্রসবের পর ওই প্রসূতি নারী কাতরাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতক সহ নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে শিশুটিকে নবজাতক ওয়ার্ডে এবং তার মাকে প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তারা দুইজনই শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন বলে জানান মুকুল।

ওসি মুকুল জানান, ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নিজের নাম নাজমা বলছে। তবে তার আর কোনও পরিচয় বলতে পারছে না। মা ও শিশুর চিকিৎসা এবং অন্যান্য প্রয়োজনে সর্বাত্মক সহায়তা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যাক্তিকেও শনাক্তের কাজ চলছে।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট