ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু Logo আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী Logo নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহকে (ভিডিও) Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী Logo ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন Logo বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারনে দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার

বিশ্বে ভয়াবহ শাস্তির শিকার ৪০ কোটি শিশু: ইউনিসেফ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বিশ্বে গত ১৩ বছরে ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক শাস্তির শিকার হয়েছে ৪০ কোটি শিশু। ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এসব শিশু বাসগৃহে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এদের অধিকাংশের বয়স সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিশু নিরাপত্তা ও অধিকারবিষয়ক অঙ্গ সংস্থা ইউনিসেফ সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ৪০ কোটি শিশুর মধ্যে একাধিক বার শারীরিক শাস্তি বা প্রহারের শিকার হয়েছে প্রায় ৩৩ কোটি শিশু, বাকিরা শিকার হয়েছে মানসিক শাস্তির। এই মুহূর্তে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স সর্বোচ্চ পাঁচ বছর।

ইউনিসেফের সংজ্ঞা অনুযায়ী, শিশুদের সঙ্গে ধমকের সুরে চিৎকার বা উচ্চ স্বরে কথা বলা, তাদের গালাগাল করা মানসিক শাস্তি প্রদানের শামিল। বিশ্বের অনেক দেশেই শিশুদের প্রহার করা আইনত নিষিদ্ধ। তবে ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে প্রায় ৫০ কোটি শিশু যে কোনো সময় প্রহারের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এসব শিশুর মধ্যে এমন বহু দেশের শিশু রয়েছে, যেসব দেশে শিশুদের প্রহার বা শারীরিক শাস্তি দেওয়া নিষিদ্ধ।

শাস্তি প্রদানের নামে শিশু নির্যাতনের পক্ষে সায় রয়েছে অনেক অভিভাবকেরও। সোমবারের প্রতিবেদনে ইউনিসেফ জানিয়েছে, বিশ্বের প্রতি চার জন মায়ের এক জন বিশ্বাস করেন, শিশুদের যথাযথভাবে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে তাদের প্রহার বা শারীরিক শাস্তি দেওয়া দরকার। তবে তাদের এই ধারণা একদমই সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল।

সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যদি শিশুরা বাড়িতে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়, তাহলে তাদের মানসিক উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয়, নিজের মূল্য সম্পর্কেও ভুল ধারণা গড়ে ওঠে। তিনি বলেন, শিশুদের প্রতি যত্নশীল ও স্নেহপূর্ণ অভিভাবকত্ব একদিকে যেমন অভিভাবকের সঙ্গে শিশুর বন্ধন দৃঢ় করে, তেমনি তাদের শিক্ষা ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সর্বোপরি অভিভাবকদের মনযোগ ও স্নেহ শিশুদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।’ বিবৃতিতে বলেন ক্যাথরিন রাসেল।ইত্তেফাক

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

বিশ্বে ভয়াবহ শাস্তির শিকার ৪০ কোটি শিশু: ইউনিসেফ

আপডেট সময় ০৬:০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বিশ্বে গত ১৩ বছরে ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক শাস্তির শিকার হয়েছে ৪০ কোটি শিশু। ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এসব শিশু বাসগৃহে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এদের অধিকাংশের বয়স সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিশু নিরাপত্তা ও অধিকারবিষয়ক অঙ্গ সংস্থা ইউনিসেফ সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ৪০ কোটি শিশুর মধ্যে একাধিক বার শারীরিক শাস্তি বা প্রহারের শিকার হয়েছে প্রায় ৩৩ কোটি শিশু, বাকিরা শিকার হয়েছে মানসিক শাস্তির। এই মুহূর্তে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স সর্বোচ্চ পাঁচ বছর।

ইউনিসেফের সংজ্ঞা অনুযায়ী, শিশুদের সঙ্গে ধমকের সুরে চিৎকার বা উচ্চ স্বরে কথা বলা, তাদের গালাগাল করা মানসিক শাস্তি প্রদানের শামিল। বিশ্বের অনেক দেশেই শিশুদের প্রহার করা আইনত নিষিদ্ধ। তবে ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে প্রায় ৫০ কোটি শিশু যে কোনো সময় প্রহারের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এসব শিশুর মধ্যে এমন বহু দেশের শিশু রয়েছে, যেসব দেশে শিশুদের প্রহার বা শারীরিক শাস্তি দেওয়া নিষিদ্ধ।

শাস্তি প্রদানের নামে শিশু নির্যাতনের পক্ষে সায় রয়েছে অনেক অভিভাবকেরও। সোমবারের প্রতিবেদনে ইউনিসেফ জানিয়েছে, বিশ্বের প্রতি চার জন মায়ের এক জন বিশ্বাস করেন, শিশুদের যথাযথভাবে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে তাদের প্রহার বা শারীরিক শাস্তি দেওয়া দরকার। তবে তাদের এই ধারণা একদমই সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল।

সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যদি শিশুরা বাড়িতে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়, তাহলে তাদের মানসিক উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয়, নিজের মূল্য সম্পর্কেও ভুল ধারণা গড়ে ওঠে। তিনি বলেন, শিশুদের প্রতি যত্নশীল ও স্নেহপূর্ণ অভিভাবকত্ব একদিকে যেমন অভিভাবকের সঙ্গে শিশুর বন্ধন দৃঢ় করে, তেমনি তাদের শিক্ষা ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সর্বোপরি অভিভাবকদের মনযোগ ও স্নেহ শিশুদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।’ বিবৃতিতে বলেন ক্যাথরিন রাসেল।ইত্তেফাক

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট