ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু Logo আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী Logo নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহকে (ভিডিও) Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী Logo ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন Logo বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারনে দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার

করোনা আক্রান্ত হলে যেমন কেমন অনুভব করবেন

আইএনবি নিউজ:নভেল করোনাভাইরাসে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের অধিকাংশের অভিজ্ঞতা এমন। শুরুতে নিরীহ। ধীরে ধীরে ভয়াবহ। দেশ রূপান্তর

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শরীর গঠন করা কোষগুলোর ভেতরে প্রবেশ করে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়ার মাধ্যমে কাজ করে করোনাভাইরাস, যার আনুষ্ঠানিক নাম সার্স-সিওভি-২। এটি নিশ্বাসের সাথে দেহে প্রবেশ করতে পারে (আশপাশে কেউ হাঁচি বা কাশি দিলে) বা ভাইরাস সংক্রমিত কোনো জায়গায় হাত দেয়ার পর মুখে হাত দিলে।

শুরুতে এটি গলা, শ্বাসনালি এবং ফুসফুসের কোষে আঘাত করে এবং সেসব জায়গায় করোনার কারখানা তৈরি করে। পরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয় এবং আরও কোষকে আক্রান্ত করে।

এই শুরুর সময়টাতে আপনি অসুস্থ হবেন না এবং কিছু মানুষের মধ্যে হয়তো উপসর্গও দেখা দেবে না।

দশজনের আটজন মানুষের জন্যই কভিড-১৯ একটি নিরীহ সংক্রমণ এবং এর প্রধান উপসর্গ কাশি ও জ্বর।

শরীরে ব্যথা, গলা ব্যথা এবং মাথাব্যথাও হতে পারে, তবে হবেই এমন কোনো কথা নেই।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এক সময় ভাইরাসটিকে শত্রুভাবাপন্ন একটি ভাইরাস হিসেবে শনাক্ত করে এবং বাকি শরীরে সাইটোকাইনস নামক কেমিক্যাল পাঠিয়ে বুঝিয়ে দেয় কিছু একটা ঠিক নেই।

এর কারণে শরীরে ব্যথা ও জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

প্রাথমিকভাবে করোনাভাইরাসের কারণে শুষ্ক কাশি হয়। তবে অনেকের কাশির সাথেই একটা পর্যায়ে থুতু বা কফ বের হওয়া শুরু করে, যার মধ্যে ভাইরাসের প্রভাবে মৃত ফুসফুসের কোষগুলোও থাকবে।

এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে পরিপূর্ণ বিশ্রাম, প্রচুর তরল পান করা এবং প্যারাসিটামল খাওয়ার উপদেশ দেয়া হয়ে থাকে।

এই ধাপটি এক সপ্তাহের মতো স্থায়ী হয়। অধিকাংশ মানুষই এই ধাপের মধ্যে আরোগ্য লাভ করে কারণ ততদিনে তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাইরাসের সাথে লড়াই করে সেটিকে প্রতিহত করে ফেলে।

সাতদিনের ভেতর সুস্থ না হলে প্রচণ্ড জ্বর আসে। কাশি বেড়ে যায়। শ্বাসকষ্ট তীব্র হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

করোনা আক্রান্ত হলে যেমন কেমন অনুভব করবেন

আপডেট সময় ০২:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০

আইএনবি নিউজ:নভেল করোনাভাইরাসে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের অধিকাংশের অভিজ্ঞতা এমন। শুরুতে নিরীহ। ধীরে ধীরে ভয়াবহ। দেশ রূপান্তর

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শরীর গঠন করা কোষগুলোর ভেতরে প্রবেশ করে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়ার মাধ্যমে কাজ করে করোনাভাইরাস, যার আনুষ্ঠানিক নাম সার্স-সিওভি-২। এটি নিশ্বাসের সাথে দেহে প্রবেশ করতে পারে (আশপাশে কেউ হাঁচি বা কাশি দিলে) বা ভাইরাস সংক্রমিত কোনো জায়গায় হাত দেয়ার পর মুখে হাত দিলে।

শুরুতে এটি গলা, শ্বাসনালি এবং ফুসফুসের কোষে আঘাত করে এবং সেসব জায়গায় করোনার কারখানা তৈরি করে। পরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয় এবং আরও কোষকে আক্রান্ত করে।

এই শুরুর সময়টাতে আপনি অসুস্থ হবেন না এবং কিছু মানুষের মধ্যে হয়তো উপসর্গও দেখা দেবে না।

দশজনের আটজন মানুষের জন্যই কভিড-১৯ একটি নিরীহ সংক্রমণ এবং এর প্রধান উপসর্গ কাশি ও জ্বর।

শরীরে ব্যথা, গলা ব্যথা এবং মাথাব্যথাও হতে পারে, তবে হবেই এমন কোনো কথা নেই।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এক সময় ভাইরাসটিকে শত্রুভাবাপন্ন একটি ভাইরাস হিসেবে শনাক্ত করে এবং বাকি শরীরে সাইটোকাইনস নামক কেমিক্যাল পাঠিয়ে বুঝিয়ে দেয় কিছু একটা ঠিক নেই।

এর কারণে শরীরে ব্যথা ও জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

প্রাথমিকভাবে করোনাভাইরাসের কারণে শুষ্ক কাশি হয়। তবে অনেকের কাশির সাথেই একটা পর্যায়ে থুতু বা কফ বের হওয়া শুরু করে, যার মধ্যে ভাইরাসের প্রভাবে মৃত ফুসফুসের কোষগুলোও থাকবে।

এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে পরিপূর্ণ বিশ্রাম, প্রচুর তরল পান করা এবং প্যারাসিটামল খাওয়ার উপদেশ দেয়া হয়ে থাকে।

এই ধাপটি এক সপ্তাহের মতো স্থায়ী হয়। অধিকাংশ মানুষই এই ধাপের মধ্যে আরোগ্য লাভ করে কারণ ততদিনে তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাইরাসের সাথে লড়াই করে সেটিকে প্রতিহত করে ফেলে।

সাতদিনের ভেতর সুস্থ না হলে প্রচণ্ড জ্বর আসে। কাশি বেড়ে যায়। শ্বাসকষ্ট তীব্র হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট