/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারাগারে বিয়ে করে যুবকের জামিন

ফেনী প্রতিনিধি:ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে ফেনীতে কারাগারেই ভুক্তভোগীকে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামি জহিরুল ইসলাম জিয়াকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

গত ১৯ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফেনী জেলা কারাগারে দুই পক্ষের পরিবারের ২০ থেকে ৩০ সদস্যের উপস্থিতিতে ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কাজী আবদুর রহিম জিয়া ও ধর্ষণের শিকার তরুণীর বিয়ে পড়ান।

জানা যায়, সোনাগাজী উপজেলার উত্তর চরদরবেশ গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সুফিয়ানের ছেলে জহিরুল ইসলাম জিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী কিশোরী বিবি জোহরার গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে উভয়ের সম্মতিতে তাদের শারীরিক সম্পর্কও হয়। এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে দুই পরিবার তাদের বিয়ে দেওয়ার আলাপের উদ্যোগ নিচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ঘটনা মীমাংসার সুযোগে টাকা দাবি করেছিল জিয়ার বাবার কাছে। তিনি টাকা দিতে রাজি না হলে গত ২৭ মে মেয়েটির পরিবারকে প্ররোচনা দিয়ে থানায় জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলায় পুলিশ জিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কারাগারে বিয়ে করে যুবকের জামিন

আপডেটের সময় : ০৬:১১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

ফেনী প্রতিনিধি:ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে ফেনীতে কারাগারেই ভুক্তভোগীকে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামি জহিরুল ইসলাম জিয়াকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

গত ১৯ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফেনী জেলা কারাগারে দুই পক্ষের পরিবারের ২০ থেকে ৩০ সদস্যের উপস্থিতিতে ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কাজী আবদুর রহিম জিয়া ও ধর্ষণের শিকার তরুণীর বিয়ে পড়ান।

জানা যায়, সোনাগাজী উপজেলার উত্তর চরদরবেশ গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সুফিয়ানের ছেলে জহিরুল ইসলাম জিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী কিশোরী বিবি জোহরার গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে উভয়ের সম্মতিতে তাদের শারীরিক সম্পর্কও হয়। এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে দুই পরিবার তাদের বিয়ে দেওয়ার আলাপের উদ্যোগ নিচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ঘটনা মীমাংসার সুযোগে টাকা দাবি করেছিল জিয়ার বাবার কাছে। তিনি টাকা দিতে রাজি না হলে গত ২৭ মে মেয়েটির পরিবারকে প্ররোচনা দিয়ে থানায় জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলায় পুলিশ জিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট