ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু Logo আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী Logo নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহকে (ভিডিও) Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী Logo ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন Logo বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারনে দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি বৈঠক Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার

১ সপ্তাহেই ছাড়বে করোনা, ৩ ওষুধের মিশ্রণ!

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে  দিন দিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

ফলে করোনা রোধে প্রতিষেধক তৈরিতে বিশ্বজুড়ে চলছে জোর প্রচেষ্টা। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তিনটি ওষুধ একসঙ্গে ব্যবহারে করোনা সেরে যাবে বলে দাবি করেছেন হংকংয়ের গবেষকরা।

এরই মধ্যে ১২৭ রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে এই প্রক্রিয়া। ল্যানসেট মেডিকেল জার্নালে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

প্রথম ওষুধটি এইচআইভি/এইডসের ওষুধ, যা লোপিনাভির ও রিটোনাভির মিলিয়ে তৈরি হয়েছে। দ্বিতীয়টি হেপাটাইটিস বি এবং তৃতীয় ওষুধটি ব্রেন স্পাইনাল কার্ডের অসুখের। এই তিনটি ওষুধ একসঙ্গে গ্রহণ করলে মাত্র সাত দিনে করোনা নেগেটিভ আসবে।

এই গবেষণার সহকারী ও হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কোকো ইয়াং ইউয়েন বলেছেন, ওষুধগুলো শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ দ্রুত দমন করে, লক্ষণ থেকে মুক্তি দেয়। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি কমায়।

তিনি আরো বলন, ওষুধ তিনটির ব্যবহার আশার বাণী নিয়ে এসেছে। তবে অনেক বেশি মানুষের মধ্যে এর প্রয়োগ করলে এর ফলাফল কেমন হয় তাই এখন দেখার বিষয়।

ওষুধ তিনটির ট্রায়ালের সময় হাসপাতালে রোগীদের ভেন্টিলেটর সাপোর্ট, ডায়ালিসিস সাপোর্টসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় হংকংয়ে তিনটি পুরনো ওষুধের যৌথ প্রয়োগে সাত দিন এই রোগীদের করোনামুক্ত হওয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঔষধ প্রযুক্তি বিভাগের সাবেক

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বোস্টন থেকে গণমাধ্যমকে বলেন, এর আগেও হংকং, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড এ ধরনের তিনটি ওষুধ নিয়ে গবেষণা করেছিল।

যার কিছুটা ভালো ফল পাওয়া গেলেও পরে আর এটি সামনে এগোয়নি।

তিনি আরো বলেন, এখন হংকং যে তিন ধরনের ওষুধের কম্বিনেশন করেছে সেটা যদি সত্যি কার্যকর হয় তবে তা ভালোই হবে।

যদিও এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চলছে, এর কোনোটাই এখন পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়নি।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

১ সপ্তাহেই ছাড়বে করোনা, ৩ ওষুধের মিশ্রণ!

আপডেট সময় ১২:৫৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২০

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে  দিন দিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

ফলে করোনা রোধে প্রতিষেধক তৈরিতে বিশ্বজুড়ে চলছে জোর প্রচেষ্টা। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তিনটি ওষুধ একসঙ্গে ব্যবহারে করোনা সেরে যাবে বলে দাবি করেছেন হংকংয়ের গবেষকরা।

এরই মধ্যে ১২৭ রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে এই প্রক্রিয়া। ল্যানসেট মেডিকেল জার্নালে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

প্রথম ওষুধটি এইচআইভি/এইডসের ওষুধ, যা লোপিনাভির ও রিটোনাভির মিলিয়ে তৈরি হয়েছে। দ্বিতীয়টি হেপাটাইটিস বি এবং তৃতীয় ওষুধটি ব্রেন স্পাইনাল কার্ডের অসুখের। এই তিনটি ওষুধ একসঙ্গে গ্রহণ করলে মাত্র সাত দিনে করোনা নেগেটিভ আসবে।

এই গবেষণার সহকারী ও হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কোকো ইয়াং ইউয়েন বলেছেন, ওষুধগুলো শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ দ্রুত দমন করে, লক্ষণ থেকে মুক্তি দেয়। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি কমায়।

তিনি আরো বলন, ওষুধ তিনটির ব্যবহার আশার বাণী নিয়ে এসেছে। তবে অনেক বেশি মানুষের মধ্যে এর প্রয়োগ করলে এর ফলাফল কেমন হয় তাই এখন দেখার বিষয়।

ওষুধ তিনটির ট্রায়ালের সময় হাসপাতালে রোগীদের ভেন্টিলেটর সাপোর্ট, ডায়ালিসিস সাপোর্টসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় হংকংয়ে তিনটি পুরনো ওষুধের যৌথ প্রয়োগে সাত দিন এই রোগীদের করোনামুক্ত হওয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঔষধ প্রযুক্তি বিভাগের সাবেক

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বোস্টন থেকে গণমাধ্যমকে বলেন, এর আগেও হংকং, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড এ ধরনের তিনটি ওষুধ নিয়ে গবেষণা করেছিল।

যার কিছুটা ভালো ফল পাওয়া গেলেও পরে আর এটি সামনে এগোয়নি।

তিনি আরো বলেন, এখন হংকং যে তিন ধরনের ওষুধের কম্বিনেশন করেছে সেটা যদি সত্যি কার্যকর হয় তবে তা ভালোই হবে।

যদিও এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চলছে, এর কোনোটাই এখন পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়নি।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট