/* */
Dhaka , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহা বিপাকে সৌদি আরব, দারস্থ মিত্রদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার (ইন্টারসেপ্টর) মজুত কমে যাওয়ায় বড় বিপাকে পড়েছে সৌদি আরব। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিয়াদ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান ও মিসরের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চেয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাਤੇ জানা গেছে, হুথি ও ইরান-সমর্থিত অন্যান্য গোষ্ঠীর ছোড়া লাগাতার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরব ওই দেশগুলোকে নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতে নিজেদের মজুত কমে যাওয়ায় রিয়াদের এই অনুরোধ পূরণে সীমিত ক্ষমতার মুখোমুখি হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, সৌদি বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সামরিক পরিকল্পনায় সহায়তা বাড়াতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি টাস্কফোর্স কাজ করছে।

এরই মধ্যে বুধবার সৌদি আরব অভিযোগ করেছে, হুথিরা ইসলামের পবিত্রতম শহর মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছিল, যা তারা ভূপাতিত করেছে। তবে হুথিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হুথিদের পাশাপাশি ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের হামলায় সৌদির একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে গেছে এবং লোহিত সাগরে সৌদি অবকাঠামো ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে। সামরিক ঘাঁটি, সরকারি স্থাপনা এবং দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তেল স্থাপনাগুলো একসঙ্গে সুরক্ষা দিতে গিয়ে সৌদি আরব এখন অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক কর্মকর্তারা।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি

মহা বিপাকে সৌদি আরব, দারস্থ মিত্রদের

আপডেটের সময় : ১০:১৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার (ইন্টারসেপ্টর) মজুত কমে যাওয়ায় বড় বিপাকে পড়েছে সৌদি আরব। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিয়াদ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান ও মিসরের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চেয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাਤੇ জানা গেছে, হুথি ও ইরান-সমর্থিত অন্যান্য গোষ্ঠীর ছোড়া লাগাতার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরব ওই দেশগুলোকে নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতে নিজেদের মজুত কমে যাওয়ায় রিয়াদের এই অনুরোধ পূরণে সীমিত ক্ষমতার মুখোমুখি হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, সৌদি বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সামরিক পরিকল্পনায় সহায়তা বাড়াতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি টাস্কফোর্স কাজ করছে।

এরই মধ্যে বুধবার সৌদি আরব অভিযোগ করেছে, হুথিরা ইসলামের পবিত্রতম শহর মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছিল, যা তারা ভূপাতিত করেছে। তবে হুথিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হুথিদের পাশাপাশি ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের হামলায় সৌদির একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে গেছে এবং লোহিত সাগরে সৌদি অবকাঠামো ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে। সামরিক ঘাঁটি, সরকারি স্থাপনা এবং দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তেল স্থাপনাগুলো একসঙ্গে সুরক্ষা দিতে গিয়ে সৌদি আরব এখন অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক কর্মকর্তারা।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট