/* */
Dhaka , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার নামে শত কোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে: নুরুল হক নুর

আইএনবি ডেস্ক: প্রবাসীর কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ছাত্র উপদেষ্টাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠন করার কথা থাকলেও উপদেষ্টা পরিষদ ও ছাত্র উপদেষ্টাদের ভূমিকা সে পথকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

নুরুল হক নুর বলেন, দল-মতনির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন থাকলেও সেই ঐক্য রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। মিডিয়ার সামনে আসা এই ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালিয়েছেন। বিপ্লবের আড়ালে তারা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং সুবিধাবাদী মহলের সঙ্গে আঁতাত করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। তরুণদের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে প্রত্যাশা মানুষের ছিল, তা ছাত্র উপদেষ্টাদের কার্যকলাপে ব্যাহত হয়েছে বলে জানান তিনি।

নিজ দায়িত্ব প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের এই ছয় মাসে কেউ নির্দিষ্ট করে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম প্রমাণ করতে পারেনি। যেদিন কেউ তা প্রমাণ করতে পারবে, সেদিনই তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন বলে ঘোষণা দেন। পরিশেষে তিনি বলেন, জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ণ দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ে রাজপথে নেমেছি: জামায়াত আমির

প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার নামে শত কোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে: নুরুল হক নুর

আপডেটের সময় : ০৯:০৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: প্রবাসীর কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ছাত্র উপদেষ্টাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠন করার কথা থাকলেও উপদেষ্টা পরিষদ ও ছাত্র উপদেষ্টাদের ভূমিকা সে পথকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

নুরুল হক নুর বলেন, দল-মতনির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সমর্থন থাকলেও সেই ঐক্য রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। মিডিয়ার সামনে আসা এই ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালিয়েছেন। বিপ্লবের আড়ালে তারা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং সুবিধাবাদী মহলের সঙ্গে আঁতাত করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। তরুণদের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে প্রত্যাশা মানুষের ছিল, তা ছাত্র উপদেষ্টাদের কার্যকলাপে ব্যাহত হয়েছে বলে জানান তিনি।

নিজ দায়িত্ব প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের এই ছয় মাসে কেউ নির্দিষ্ট করে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম প্রমাণ করতে পারেনি। যেদিন কেউ তা প্রমাণ করতে পারবে, সেদিনই তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন বলে ঘোষণা দেন। পরিশেষে তিনি বলেন, জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ণ দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট