/* */
Dhaka , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আইএনবি ডেস্ক: চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার । অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এ কথা বলেছেন ।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরাতে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই একমাত্র সমাধান। এ কাজে চীনের আরও আন্তরিকতা ও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সবসময় গুরুত্ব দেয় চীন। দুই দেশের এই সম্পর্ক আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সব ধরনের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশর সব সংকটে পাশে ছিল চীন। কোভিড মহামারী কিংবা জুলাই আন্দোলনেও বাংলাদেশ ছেড়ে যায়নি চীনা কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেটের সময় : ০৭:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

আইএনবি ডেস্ক: চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার । অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এ কথা বলেছেন ।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরাতে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই একমাত্র সমাধান। এ কাজে চীনের আরও আন্তরিকতা ও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সবসময় গুরুত্ব দেয় চীন। দুই দেশের এই সম্পর্ক আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সব ধরনের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশর সব সংকটে পাশে ছিল চীন। কোভিড মহামারী কিংবা জুলাই আন্দোলনেও বাংলাদেশ ছেড়ে যায়নি চীনা কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট