/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে বৃদ্ধ স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর সদরে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে সদরের বলায়েরচর ইউনিয়নের ফকিরগঞ্জ গ্রামের বাড়ির নিজ ঘর থেকে সামসুল হক (৭৮) ও তার স্ত্রী সয়েরা (৭৫) বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। এই দম্প্রতির এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত রাতের যেকোনো সময় সামসুল হক স্ত্রীকে হত্যার পর নিজে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।

নিহত সামসুল হকের ছেলে রফিকুল ইসলাম বলেন, বাবার মানসিক সমস্যা ছিল। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারবারিক কলহ ছিল। মাকে বাবা মারধর করতো বলে দাবি সামসুলের। তিনি আরও বলেন, বাবাকে ডাক্তারের কথা শুনলেই পালাত। ঘটনার রাতে বাবা বলেছে। তিনি ওই রাতেই তবলীগের চিল্লায় চলে যাবেন। আশেপাশের মানুষকে বলে গেছেন তিনি মারা গেলে যেন তার বাবার পাশে কবর দেওয়া হয়। বুঝতেই পারি নাই বাবা এমন করবেন। সকালে আমার ছেলে প্রথম ডাকাডাকি করেও কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে পিছনের দরজা দিয়া ভিতরে গিয়ে দেখে এই অবস্থা। তবে এলাকাবাসী বিষয়টিকে বেশ সন্দেহ জনক বলেছেন।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা নেয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিহতের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। সেখান থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত করছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুর থেকে সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার

শেরপুরে বৃদ্ধ স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেটের সময় : ১১:০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর সদরে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে সদরের বলায়েরচর ইউনিয়নের ফকিরগঞ্জ গ্রামের বাড়ির নিজ ঘর থেকে সামসুল হক (৭৮) ও তার স্ত্রী সয়েরা (৭৫) বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। এই দম্প্রতির এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত রাতের যেকোনো সময় সামসুল হক স্ত্রীকে হত্যার পর নিজে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।

নিহত সামসুল হকের ছেলে রফিকুল ইসলাম বলেন, বাবার মানসিক সমস্যা ছিল। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারবারিক কলহ ছিল। মাকে বাবা মারধর করতো বলে দাবি সামসুলের। তিনি আরও বলেন, বাবাকে ডাক্তারের কথা শুনলেই পালাত। ঘটনার রাতে বাবা বলেছে। তিনি ওই রাতেই তবলীগের চিল্লায় চলে যাবেন। আশেপাশের মানুষকে বলে গেছেন তিনি মারা গেলে যেন তার বাবার পাশে কবর দেওয়া হয়। বুঝতেই পারি নাই বাবা এমন করবেন। সকালে আমার ছেলে প্রথম ডাকাডাকি করেও কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে পিছনের দরজা দিয়া ভিতরে গিয়ে দেখে এই অবস্থা। তবে এলাকাবাসী বিষয়টিকে বেশ সন্দেহ জনক বলেছেন।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা নেয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিহতের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। সেখান থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত করছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট