/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যা মামলা: তিন সন্তানসহ মা-বাবার যাবজ্জীবন

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে বাবা-মা ও তিন সন্তানসহ ছয়জনকে এক হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্তি জেলা ও দায়রা জজ নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার দেবরাইল এলাকার আহাম্মদ আলী, তার স্ত্রী মিনা বেগম, তাদের তিন ছেলে আলতাব হোসেন, মোন্তাজ আলী, এন্তাজ আলী ও একই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে আনোয়ার হোসেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল সদর উপজেলার দেবরাইল গ্রামের আবদুর রশিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাদের সাংসারিক বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জের ধরে আসামিরা একজোট হয়ে বাদীর পরিবারকে কোদাল, লোহার রড, শাবল ও লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এ সময় রশিদের অবস্থা গুরুতর হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর সেখানেই চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ১৭ এপ্রিল নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুর থেকে সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার

হত্যা মামলা: তিন সন্তানসহ মা-বাবার যাবজ্জীবন

আপডেটের সময় : ০৯:৪১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে বাবা-মা ও তিন সন্তানসহ ছয়জনকে এক হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্তি জেলা ও দায়রা জজ নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার দেবরাইল এলাকার আহাম্মদ আলী, তার স্ত্রী মিনা বেগম, তাদের তিন ছেলে আলতাব হোসেন, মোন্তাজ আলী, এন্তাজ আলী ও একই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে আনোয়ার হোসেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল সদর উপজেলার দেবরাইল গ্রামের আবদুর রশিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাদের সাংসারিক বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জের ধরে আসামিরা একজোট হয়ে বাদীর পরিবারকে কোদাল, লোহার রড, শাবল ও লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এ সময় রশিদের অবস্থা গুরুতর হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর সেখানেই চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ১৭ এপ্রিল নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট