/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ-ধর্ষণ: পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে পুলিশের এক সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আদেশ দিয়েছেন আদালত। তার নাম নবীউল ইসলাম ।

রায়ের পর নবীউলকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত নবীউল ইসলাম দিনাজপুর সদর উপজেলার সাতাসাগর পানুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দিনাজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা জজ শরীফ উদ্দিন আহমেদ এই রায় দেন।

মামলার অন্য দুই আসামি নবীউলের ভাই নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু ও ভাবি কাওসার ইয়াসমিন ছোটিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল স্কুলে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যান কনস্টেবল নবীউল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা। এরপর তাঁকে রংপুরের বদরগঞ্জে আটকে রেখে ফুসলিয়ে বিয়েতে রাজি করানো হয়।

কিন্তু ২০১৪ সালের ১ আগস্ট বিয়ে হয়নি জানিয়ে ওই ছাত্রীকে সৈয়দপুর রেলস্টেশনে নামিয়ে দিয়ে বাড়ি পাঠাতে চেষ্টা করেন নবীউল। তখন ওই ছাত্রী চিৎকার করলে স্টেশনের লোকজন নবীউলকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেয়।

কিন্তু নবীউল পুলিশ সদস্য হওয়ায় সৈয়দপুর থানা পুলিশ একটি জিডি করে তাঁকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর নানি বাদী হয়ে মামলা করেন।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুর থেকে সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ-ধর্ষণ: পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন

আপডেটের সময় : ০৮:১৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে পুলিশের এক সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আদেশ দিয়েছেন আদালত। তার নাম নবীউল ইসলাম ।

রায়ের পর নবীউলকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত নবীউল ইসলাম দিনাজপুর সদর উপজেলার সাতাসাগর পানুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দিনাজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা জজ শরীফ উদ্দিন আহমেদ এই রায় দেন।

মামলার অন্য দুই আসামি নবীউলের ভাই নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু ও ভাবি কাওসার ইয়াসমিন ছোটিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল স্কুলে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যান কনস্টেবল নবীউল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীরা। এরপর তাঁকে রংপুরের বদরগঞ্জে আটকে রেখে ফুসলিয়ে বিয়েতে রাজি করানো হয়।

কিন্তু ২০১৪ সালের ১ আগস্ট বিয়ে হয়নি জানিয়ে ওই ছাত্রীকে সৈয়দপুর রেলস্টেশনে নামিয়ে দিয়ে বাড়ি পাঠাতে চেষ্টা করেন নবীউল। তখন ওই ছাত্রী চিৎকার করলে স্টেশনের লোকজন নবীউলকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেয়।

কিন্তু নবীউল পুলিশ সদস্য হওয়ায় সৈয়দপুর থানা পুলিশ একটি জিডি করে তাঁকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর নানি বাদী হয়ে মামলা করেন।

আইএনবি/বি.ভূঁইয়া


প্রিন্ট