/* */
Dhaka , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড় আজকের তাপমাত্রা ৫.৫ ডিগ্রি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। বিরাজ করছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা গত ৫ বছরের রেকর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে, শনিবার সকাল ৯টায় এখানে তাপমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছিলো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সে হিসাবে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

এদিকে, হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা, সঙ্গে হিমেল বাতাস। এতে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে রয়েছে খেটে খাওয়া মানুষ।

বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি রয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ, আর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভুত হচ্ছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্টফোনের আসক্তি কাটাবেন যেভাবে

পঞ্চগড় আজকের তাপমাত্রা ৫.৫ ডিগ্রি

আপডেটের সময় : ০৫:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। বিরাজ করছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা গত ৫ বছরের রেকর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে, শনিবার সকাল ৯টায় এখানে তাপমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছিলো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সে হিসাবে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

এদিকে, হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা, সঙ্গে হিমেল বাতাস। এতে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে রয়েছে খেটে খাওয়া মানুষ।

বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি রয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ, আর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার হওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভুত হচ্ছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট