/* */
Dhaka , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়িয়ায় অনুমোদনহীন হাসপাতাল সিলগালা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: সরকারি অনুমোদন না থাকায় শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ইসলামিয়া হেলথ কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক নামে একটি বেসরকারি হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে বিকেলে উপজেলার ঘড়িসার বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার বাজারে ইসলামিয়া হেলথ কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক নামে একটি অনুমোদনহীন হাসপাতাল রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিল। এ তথ্য জানার পরপরই সোমবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ।

মো. পারভেজ বলেন, অনুমোদন না থাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে আসতে পারেন তাহলে হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার অনুমতি দেওয়া হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্টফোনের আসক্তি কাটাবেন যেভাবে

নড়িয়ায় অনুমোদনহীন হাসপাতাল সিলগালা

আপডেটের সময় : ০৬:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৪

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: সরকারি অনুমোদন না থাকায় শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ইসলামিয়া হেলথ কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক নামে একটি বেসরকারি হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে বিকেলে উপজেলার ঘড়িসার বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার বাজারে ইসলামিয়া হেলথ কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক নামে একটি অনুমোদনহীন হাসপাতাল রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিল। এ তথ্য জানার পরপরই সোমবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পারভেজ।

মো. পারভেজ বলেন, অনুমোদন না থাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে আসতে পারেন তাহলে হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার অনুমতি দেওয়া হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট