আইএনবি ডেস্ক: রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিনটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে মিরপুর-১১ নম্বর, মিরপুর ১ নম্বর, মধ্যবাড্ডা ও যাত্রাবাড়ী থানার সামনে এসব নাশকতা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে মিরপুর ১১ নম্বরে জমজম টাওয়ারের বিপরীত পাশে শিকড় পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাসটিতে চলন্ত অবস্থায় আগুন লাগার কথা বলা হলেও, পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান যে বাসটি রাস্তার পাশে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল এবং সেটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না। প্রাথমিকভাবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ এই আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এর কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর ১ নম্বরের প্রধান সড়কে ‘অভিজাত পরিবহন’ নামের আরেকটি বাসে অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া যায়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা মিলে সেই আগুন নিভিয়ে ফেলেন। এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজ জানান, কে বা কারা বাসটিতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করলেও বাসটি সম্পূর্ণ পোড়েনি এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্ত করছে।
এদিকে মধ্যবাড্ডার কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সামনে পার্কিংয়ে থাকা একটি স্টাফ বাসেও আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রাত ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো এই বাসটিতে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসানুল জানান, কে বা কারা বাসটিতে আগুন দিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
অন্যদিকে, গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় এবারও ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ফের ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে থানার বিপরীতে সামাদ সুপার মার্কেটের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, কে বা কারা এই বিস্ফোরণগুলো ঘটিয়েছে, তা নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রিন্ট

কমলাপুর রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণ 




















