/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংসদ শামসুর রহমান শরীফ আর নেই

পাবনা প্রতিনিধি

না ফেরার দেশে চলে গেছেন পাবনার সংসদ সদস্য সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু। ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩ টা ৩৮ মিনিটে তার বাবার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তার ছেলে গালিবুর রহমান শরীফ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইউনাইটেড হাসপাতালের চিফ অব কমিউনিকেশনস ডা. সাগুফা আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, গত ১১ মার্চ থেকে এ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সাংসদ শামসুর রহমান শরীফ।

১৯৪০ সালের ১০ মার্চ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। এবছরই বিপ্লবী এই নেতা ৮০ বছর পূর্ণ করে ৮১ তে পা রেখেছিলেন। বিগত প্রায় ৭ মাস ধরে তিনি বার্ধক্য ও দুরারোগ্য রোগে ভুগছিলেন।

প্রথমে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি লন্ডনে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। লন্ডন হতে ফিরে কিছুদিন ভাল থাকার পর অসুস্থ হলে আবারো ল্যাবএইডে ভর্তি হন।

সেখান হতে তাকে ভারতের মুম্বাই টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রায় দুই মাস চিকিৎসা গ্রহণের পর ঢাকায় ফিরে আসেন।

পরে আবারো তাকে ল্যাবএইডে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়। ইউনাইটেড হাসপাতালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

সাংসদ শামসুর রহমান শরীফ আর নেই

আপডেটের সময় : ০৬:১৩:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০

পাবনা প্রতিনিধি

না ফেরার দেশে চলে গেছেন পাবনার সংসদ সদস্য সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু। ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩ টা ৩৮ মিনিটে তার বাবার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তার ছেলে গালিবুর রহমান শরীফ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইউনাইটেড হাসপাতালের চিফ অব কমিউনিকেশনস ডা. সাগুফা আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, গত ১১ মার্চ থেকে এ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সাংসদ শামসুর রহমান শরীফ।

১৯৪০ সালের ১০ মার্চ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। এবছরই বিপ্লবী এই নেতা ৮০ বছর পূর্ণ করে ৮১ তে পা রেখেছিলেন। বিগত প্রায় ৭ মাস ধরে তিনি বার্ধক্য ও দুরারোগ্য রোগে ভুগছিলেন।

প্রথমে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি লন্ডনে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। লন্ডন হতে ফিরে কিছুদিন ভাল থাকার পর অসুস্থ হলে আবারো ল্যাবএইডে ভর্তি হন।

সেখান হতে তাকে ভারতের মুম্বাই টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রায় দুই মাস চিকিৎসা গ্রহণের পর ঢাকায় ফিরে আসেন।

পরে আবারো তাকে ল্যাবএইডে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়। ইউনাইটেড হাসপাতালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


প্রিন্ট