/* */
Dhaka , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাসপোর্টের পরিচালকের নামে দুদকের মামলা

আইএনবি ডেস্ক: ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপনসহ ৫৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান বাদী হয়ে গতকাল সোমবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এ মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে তৌফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করে দুদক। ওই নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন তিনি। সেখানে তিনি নিজ নামে ৩ কোটি ২২ লাখ ১৬ হাজার ৮১৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১ কোটি ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৩৯৪ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। আর ২৫ লাখ টাকার দায়-দেনার ঘোষণা দেন তিনি। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার ১৪৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া গেলেও ৫৮ লাখ ৩৮ হাজার ৬৬৩ টাকার উৎস পাওয়া যায়নি।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

পাসপোর্টের পরিচালকের নামে দুদকের মামলা

আপডেটের সময় : ০৭:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২

আইএনবি ডেস্ক: ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপনসহ ৫৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান বাদী হয়ে গতকাল সোমবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এ মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে তৌফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করে দুদক। ওই নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন তিনি। সেখানে তিনি নিজ নামে ৩ কোটি ২২ লাখ ১৬ হাজার ৮১৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১ কোটি ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৩৯৪ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। আর ২৫ লাখ টাকার দায়-দেনার ঘোষণা দেন তিনি। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার ১৪৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া গেলেও ৫৮ লাখ ৩৮ হাজার ৬৬৩ টাকার উৎস পাওয়া যায়নি।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট