আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গত শনিবার নাগাদ চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন মোট ১৪টি নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ চিহ্নিত করেছে। গত ২৮ এপ্রিলের পর একদিনে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যক সংক্রমণ ধরা পড়ার ঘটনা। এর মধ্যে করোনাভাইরাসের প্রাথমিক উৎসস্থল উহান নগরীতেও একটি সংক্রমণ ধরা পড়েছে। উহান থেকেই গত বছরের শেষদিকে ভাইরাসটি প্রথম মানবদেহে ছড়িয়ে পড়ে।
গত এক মাস পর এই প্রথম চীনের কেন্দ্রীয় প্রদেশ হবেইয়ের রাজধানীতে আবারও করোনা সংক্রমণ শনাক্ত করা হলো। উহানে সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত এক রোগীকে শনাক্ত করা হয়।
উহানে সার্স কোভ-২ ভাইরাসের উপস্থিতি দ্বিতীয় পর্যায়ে ভাইরাস বিস্তারের উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত বৃহস্পতিবার চীনের কেন্দ্রীয় সরকার সমগ্র দেশকে নিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করার দুদিন বাদেই সংক্রমণের হার বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। গতকাল শনিবার করোনা সংক্রমণের একটি জোটবদ্ধ স্থান বা ক্লাস্টার শনাক্ত হয় উত্তরপূর্বের জিলিন প্রদেশের শুলান শহরে।
জিলিন প্রদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা রোববার শুলান শহরের করোনাঝুঁকির মাত্রা মাঝারি থেকে বাড়িয়ে উচ্চঝুঁকি হিসেবে নির্ধারণ করেন।
এর আগে গত ৭ মে এক নারীর দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়লে ওই শহরকে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। গত শনিবার ধরা পড়া সংক্রমিতদের সকলেই ওই নারী বা তার পরিবারের সদস্যদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
উহানে নতুন করে করোনা সংরক্রমিত ব্যক্তির শরীরে ভাইরাসজনিত কোনো উপসর্গ লক্ষ্য করা যায়নি বলেও নিশ্চিত করেছে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন।
আইএনবি/বি.ভূঁইয়া
প্রিন্ট

৬৮ এসিল্যান্ড প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি 















