/* */
Dhaka , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়িতে মিটার নেই, তবুও এল ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

জামালপুর প্রতিনিধি: মিটার বা বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও জামালপুরের মাদারগঞ্জে শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার নামের এক গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার আগস্ট মাসের বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার গত ২৫ আগস্ট এই বিলের কাগজ হাতে পান। পরে শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় পাঁচটি মিটার ছিল। যার মধ্যে একটি মিটার খুলে বাড়ির পাশের একটি মন্দিরের জন্য বাণিজ্যিক মিটারের আবেদন করা হলে আগের আবাসিক মিটারের স্থানেই সেটি স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে জুলাইয়ের কোনো একসময়ে গাছের ডাল পড়ে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে যান। মিটার না থাকা সত্ত্বেও আগস্ট মাসে ৬৯২ টাকা বিল আসায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান জানান, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেই বিল প্রস্তুত করা হয়েছিল, তবে এটি ভুলবশত হয়েছে।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, খালি স্থানটিতে আগে আবাসিক মিটার থাকলেও গ্রাহক সেটি বাণিজ্যিক করার জন্য আবেদন করেছিলেন, যার কারণে আগের আবাসিক মিটারের আগস্ট মাসের বিল এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত টিম পাঠানো হয়েছে এবং সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়িতে মিটার নেই, তবুও এল ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

আপডেটের সময় : ০২:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুর প্রতিনিধি: মিটার বা বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও জামালপুরের মাদারগঞ্জে শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার নামের এক গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার আগস্ট মাসের বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার গত ২৫ আগস্ট এই বিলের কাগজ হাতে পান। পরে শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় পাঁচটি মিটার ছিল। যার মধ্যে একটি মিটার খুলে বাড়ির পাশের একটি মন্দিরের জন্য বাণিজ্যিক মিটারের আবেদন করা হলে আগের আবাসিক মিটারের স্থানেই সেটি স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে জুলাইয়ের কোনো একসময়ে গাছের ডাল পড়ে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে যান। মিটার না থাকা সত্ত্বেও আগস্ট মাসে ৬৯২ টাকা বিল আসায় তিনি বিস্মিত হয়েছেন।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান জানান, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেই বিল প্রস্তুত করা হয়েছিল, তবে এটি ভুলবশত হয়েছে।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, খালি স্থানটিতে আগে আবাসিক মিটার থাকলেও গ্রাহক সেটি বাণিজ্যিক করার জন্য আবেদন করেছিলেন, যার কারণে আগের আবাসিক মিটারের আগস্ট মাসের বিল এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত টিম পাঠানো হয়েছে এবং সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট