/* */
Dhaka , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আইএনবি ডেস্ক:রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে কামরুল হাসান (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুন হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সায়েদাবাদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত কামরুল পেশায় কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানা গেছে। যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে সায়েদাবাদ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল থেকে কামরুলের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহত কামরুলের বাবা ইমাম হোসেন জানান, তার ছেলে কোরআনের হাফেজ ও কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছেলের মোবাইলের মাধ্যমে জানতে পারেন যে সে মুন হোটেলের সামনে ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরবর্তীতে সায়েদাবাদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গিয়ে তিনি তার ছেলের মরদেহ দেখতে পান।

তিনি জানান, তার ছেলের বন্ধুদের নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল। এই উদ্দেশ্যে বাবার কাছ থেকে টাকাও নিয়েছিলেন কামরুল। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশরপাড়া গ্রামে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আপডেটের সময় : ০৭:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

আইএনবি ডেস্ক:রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে কামরুল হাসান (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুন হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সায়েদাবাদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত কামরুল পেশায় কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানা গেছে। যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে সায়েদাবাদ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল থেকে কামরুলের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহত কামরুলের বাবা ইমাম হোসেন জানান, তার ছেলে কোরআনের হাফেজ ও কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছেলের মোবাইলের মাধ্যমে জানতে পারেন যে সে মুন হোটেলের সামনে ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরবর্তীতে সায়েদাবাদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গিয়ে তিনি তার ছেলের মরদেহ দেখতে পান।

তিনি জানান, তার ছেলের বন্ধুদের নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল। এই উদ্দেশ্যে বাবার কাছ থেকে টাকাও নিয়েছিলেন কামরুল। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশরপাড়া গ্রামে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট