/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৪ বছর পর হত্যা মামলার রায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালের চাঞ্চল্যকর আবদুল মালেক হত্যা মামলার রায় দীর্ঘ ৩৪ বছর পর দিয়েছেন আদালত। রায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আলতাব, জিন্নত, কিসমত ও মফিজ উদ্দিন।

গতকাল সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত দ্বিতীয় দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী এ রায় দেন। এ সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আহাম্মদ আলী ও সুরুজ আলী নামে দুজনকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক।

১৯৮৮ সালের ২১ আগস্ট ময়মনসিংহের ত্রিশালে দরিরামপুরে স্থানীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এলাকার মাতব্বর আবদুল মালেককে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে মামলা করলে তদন্ত কর্মকর্তা আটজনের নামে আদালতে চার্জশিট দেয়।

মামলার সাক্ষীদের রিকলের বিষয়ে ১৯৯৪ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিপক্ষ। এরপর থমকে যায় বিচারকাজ। সেই রিভিশন শুনানি শেষ হতে কেটে যায় ১৮টি বছর। ২০১২ সালে রিভিশন নিষ্পত্তি হলেও, সেই অর্ডার কপি ময়মনসিংহ আদালতে রিসিভ করা হয় ২০১৫ সালে।

এই দীর্ঘ সময়ে মারা গেছেন সোবহান নামে মামলার এক আসামিও। দীর্ঘদিন পর রায় হলেও, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়ায় তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাদী পক্ষ। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়ল ১৭ পয়সা

৩৪ বছর পর হত্যা মামলার রায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেটের সময় : ০৬:৫৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অগাস্ট ২০২২

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালের চাঞ্চল্যকর আবদুল মালেক হত্যা মামলার রায় দীর্ঘ ৩৪ বছর পর দিয়েছেন আদালত। রায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আলতাব, জিন্নত, কিসমত ও মফিজ উদ্দিন।

গতকাল সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত দ্বিতীয় দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী এ রায় দেন। এ সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আহাম্মদ আলী ও সুরুজ আলী নামে দুজনকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক।

১৯৮৮ সালের ২১ আগস্ট ময়মনসিংহের ত্রিশালে দরিরামপুরে স্থানীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এলাকার মাতব্বর আবদুল মালেককে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে মামলা করলে তদন্ত কর্মকর্তা আটজনের নামে আদালতে চার্জশিট দেয়।

মামলার সাক্ষীদের রিকলের বিষয়ে ১৯৯৪ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিপক্ষ। এরপর থমকে যায় বিচারকাজ। সেই রিভিশন শুনানি শেষ হতে কেটে যায় ১৮টি বছর। ২০১২ সালে রিভিশন নিষ্পত্তি হলেও, সেই অর্ডার কপি ময়মনসিংহ আদালতে রিসিভ করা হয় ২০১৫ সালে।

এই দীর্ঘ সময়ে মারা গেছেন সোবহান নামে মামলার এক আসামিও। দীর্ঘদিন পর রায় হলেও, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়ায় তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাদী পক্ষ। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট