/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিত আরব থেকে আবারও ফিরলেন আরও ৯৩ কর্মী

আইএনবি ডেস্কঃ বাংলাদে‌শি কর্মীদের ধরপাকড় ও দেশে ফেরত পাঠানো অব্যাহত আছে সৌ‌দি আরব। বুধবার রাতে ফেরত এসেছেন আরও ৯৩ জন কর্মী। চলতি বছর কমপক্ষে ১৩ হাজার কর্মী দেশে ফেরত এসেছেন।

বুধবার দিবাগত রাত ১১টা ২৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৮০৪ ফ্লাইটে দেশে ফেরত এসেছেন ওই ৯৩ কর্মী। এ নিয়ে শুধু চলতি মাসেই ফিরলেন ৫৩৪ বাংলাদেশি।

অন্যদিনের মতো বুধবারও দেশে ফেরত কর্মীদের বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছ‌র এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩ হাজার বাংলা‌দে‌শিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সাধারণত ফ্রি ভিসার নামে দেশটিতে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে ফেরত পাঠানো হতো। কিন্তু এবার ফেরত আসা কর্মীদের অনেকেই বলছেন, তাদের বৈধ আকামা ছিল।

দেশে ফেরত আসা ভুক্তভোগীরা মনে করেন এমনটা কেন হচ্ছে সেটা দূতাবাস ও মন্ত্রণালয়ের খতিয়ে দেখা উচিত।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

সৌদিত আরব থেকে আবারও ফিরলেন আরও ৯৩ কর্মী

আপডেটের সময় : ০৬:৩৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯

আইএনবি ডেস্কঃ বাংলাদে‌শি কর্মীদের ধরপাকড় ও দেশে ফেরত পাঠানো অব্যাহত আছে সৌ‌দি আরব। বুধবার রাতে ফেরত এসেছেন আরও ৯৩ জন কর্মী। চলতি বছর কমপক্ষে ১৩ হাজার কর্মী দেশে ফেরত এসেছেন।

বুধবার দিবাগত রাত ১১টা ২৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৮০৪ ফ্লাইটে দেশে ফেরত এসেছেন ওই ৯৩ কর্মী। এ নিয়ে শুধু চলতি মাসেই ফিরলেন ৫৩৪ বাংলাদেশি।

অন্যদিনের মতো বুধবারও দেশে ফেরত কর্মীদের বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছ‌র এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩ হাজার বাংলা‌দে‌শিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সাধারণত ফ্রি ভিসার নামে দেশটিতে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে ফেরত পাঠানো হতো। কিন্তু এবার ফেরত আসা কর্মীদের অনেকেই বলছেন, তাদের বৈধ আকামা ছিল।

দেশে ফেরত আসা ভুক্তভোগীরা মনে করেন এমনটা কেন হচ্ছে সেটা দূতাবাস ও মন্ত্রণালয়ের খতিয়ে দেখা উচিত।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট