/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে বাঘ গণনা কার্যক্রম শুরু

আইএনবি ডেস্ক:সুন্দরবনে আবার শুরু হয়েছে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণে বাঘ গণনা। ‘সুন্দরবন বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্প’–এর আওতায় এ গণনার কাজ শুরু করা হয়।

নতুন বছরের প্রথম দিন রবিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বনে ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের (ফাঁদ) কাজ শুরু করেছে বন বিভাগ।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নতুন বছরের প্রথম দিন সুন্দরবনে ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে তৃতীয়বারের মতো বাঘ গণনার কাজ শুরু হয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, বনের গভীরে এমন সব জায়গায় ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যেখান দিয়ে বাঘ চলাচলের সম্ভাবনা আছে। খুঁটিতে বাঘের আনুমানিক উচ্চতায় ক্যামেরা বসানো হবে। এসব ক্যামেরার সামনে দিয়ে বাঘ বা কোনো প্রাণী চলাফেরা করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি উঠবে।

আর এ কাজে সব মিলিয়ে ৬৬৫টি গ্রিডে জোড়া ক্যামেরা বসানো হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২০০টি, খুলনা রেঞ্জে ১৪০টি, শরণখোলা রেঞ্জে ১৮০টি, চাঁদপাই রেঞ্জে ১৪৫টি। প্রতিটি গ্রিডে এক জোড়া ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি গ্রিডে ৪০ দিন ক্যামেরা থাকবে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর ক্যামেরার ব্যাটারি ও এসডি কার্ড পরিবর্তন করতে হবে। ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে ছবি তোলার পর অ্যানালাইসিস করে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়ল ১৭ পয়সা

সুন্দরবনে বাঘ গণনা কার্যক্রম শুরু

আপডেটের সময় : ০৭:১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩

আইএনবি ডেস্ক:সুন্দরবনে আবার শুরু হয়েছে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণে বাঘ গণনা। ‘সুন্দরবন বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্প’–এর আওতায় এ গণনার কাজ শুরু করা হয়।

নতুন বছরের প্রথম দিন রবিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বনে ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের (ফাঁদ) কাজ শুরু করেছে বন বিভাগ।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নতুন বছরের প্রথম দিন সুন্দরবনে ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে তৃতীয়বারের মতো বাঘ গণনার কাজ শুরু হয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, বনের গভীরে এমন সব জায়গায় ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যেখান দিয়ে বাঘ চলাচলের সম্ভাবনা আছে। খুঁটিতে বাঘের আনুমানিক উচ্চতায় ক্যামেরা বসানো হবে। এসব ক্যামেরার সামনে দিয়ে বাঘ বা কোনো প্রাণী চলাফেরা করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি উঠবে।

আর এ কাজে সব মিলিয়ে ৬৬৫টি গ্রিডে জোড়া ক্যামেরা বসানো হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২০০টি, খুলনা রেঞ্জে ১৪০টি, শরণখোলা রেঞ্জে ১৮০টি, চাঁদপাই রেঞ্জে ১৪৫টি। প্রতিটি গ্রিডে এক জোড়া ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি গ্রিডে ৪০ দিন ক্যামেরা থাকবে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর ক্যামেরার ব্যাটারি ও এসডি কার্ড পরিবর্তন করতে হবে। ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে ছবি তোলার পর অ্যানালাইসিস করে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট