/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শনিবার চীন ফেরত ৩১২ জন হজক্যাম্প থেকে ফিরবেন

আইএনবি নিউজ:স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. জাহিদ মালেক বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চীনের উহান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা ৩১২ বাংলাদেশি দুই সপ্তাহ আশকোনা কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ শেষে শনিবার বাড়ি ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চীন থেকে ফেরা এসব বাংলাদেশি ‘কোয়ারেন্টিনের শেষ পর্যায়ে’ আছেন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের পর্যবেক্ষণের ১৪ দিন পূর্ণ হবে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ১৫ তারিখ আমরা তাদের ছেড়ে দেব। এখানে আর কোনো সমস্যা নেই। তাদের সবাই ভালো আছেন।

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি ৩১২ জন বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরে আসে। পরবর্তীতে ২০১৯-এনসিওভি সংক্রান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামকব্যাধি হাসপাতাল ও কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়।

চীন থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যবৃন্দকে আতঙ্কিত না হওয়ার এবং বিমানবন্দর ও আশকোনা হাজি ক্যাম্প এলাকায় অবস্থান না করার জন্যও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) অনুরোধ জানান। আশকোনা কোয়ারান্টাইন কেন্দ্র থেকে এসব বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বাস্থ্যগত তথ্য তাদের অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যদের সব সময় জানানোর ব্যবস্থা করা হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

শনিবার চীন ফেরত ৩১২ জন হজক্যাম্প থেকে ফিরবেন

আপডেটের সময় : ০৩:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আইএনবি নিউজ:স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. জাহিদ মালেক বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চীনের উহান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা ৩১২ বাংলাদেশি দুই সপ্তাহ আশকোনা কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ শেষে শনিবার বাড়ি ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চীন থেকে ফেরা এসব বাংলাদেশি ‘কোয়ারেন্টিনের শেষ পর্যায়ে’ আছেন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের পর্যবেক্ষণের ১৪ দিন পূর্ণ হবে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ১৫ তারিখ আমরা তাদের ছেড়ে দেব। এখানে আর কোনো সমস্যা নেই। তাদের সবাই ভালো আছেন।

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি ৩১২ জন বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরে আসে। পরবর্তীতে ২০১৯-এনসিওভি সংক্রান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামকব্যাধি হাসপাতাল ও কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়।

চীন থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যবৃন্দকে আতঙ্কিত না হওয়ার এবং বিমানবন্দর ও আশকোনা হাজি ক্যাম্প এলাকায় অবস্থান না করার জন্যও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) অনুরোধ জানান। আশকোনা কোয়ারান্টাইন কেন্দ্র থেকে এসব বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বাস্থ্যগত তথ্য তাদের অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যদের সব সময় জানানোর ব্যবস্থা করা হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট