/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবতাবিরোধী অপরাধে ত্রিশালের ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

আইএনবি ডেস্ক: ময়মনসিংহের ত্রিশালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক ছয় জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

ছয় আসামি হলেন- মো. মোখলেসুর রহমান মুকুল, মো. সাইদুর রহমান রতন, শামসুল হক ফকির, নুরুল হক ফকির, মো. সুলতান মাহমুদ ফকির ও নাকিব হোসেন আদিল সরকার।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন- সুলতান মাহমুদ সীমন ও তাপস কান্তি বল। আর আসামিদের পক্ষে ছিলেন- গাজী এম এইচ তামিম।

এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

পরে ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তখন এ মামলায় আসামি ছিলেন নয়জন। এর মধ্যে গ্রেফতার দুইজন ও পলাতক এক আসামি মারা যান।

মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ যুক্তিতর্ক শেষে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ছয়টি অভিযোগ আনা হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়ল ১৭ পয়সা

মানবতাবিরোধী অপরাধে ত্রিশালের ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেটের সময় : ০৬:১১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

আইএনবি ডেস্ক: ময়মনসিংহের ত্রিশালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক ছয় জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

ছয় আসামি হলেন- মো. মোখলেসুর রহমান মুকুল, মো. সাইদুর রহমান রতন, শামসুল হক ফকির, নুরুল হক ফকির, মো. সুলতান মাহমুদ ফকির ও নাকিব হোসেন আদিল সরকার।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন- সুলতান মাহমুদ সীমন ও তাপস কান্তি বল। আর আসামিদের পক্ষে ছিলেন- গাজী এম এইচ তামিম।

এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

পরে ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তখন এ মামলায় আসামি ছিলেন নয়জন। এর মধ্যে গ্রেফতার দুইজন ও পলাতক এক আসামি মারা যান।

মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ যুক্তিতর্ক শেষে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ছয়টি অভিযোগ আনা হয়।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট