/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে নারী আটক

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে রোববার সদর উপজেলার গরিনাবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকায় পঞ্চগড়-আটোয়ারী সড়কের পাশে একটি কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। ওই নারী অসংলগ্ন কথা-বার্তা বলায় তিনি  মানসিক ভারসাম্যহীন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ওই নারীর পরিচয় জানার চেষ্টা করছে । তার আনুমানিক বয়স ৩৫ হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোয়ালপাড়া এলাকার লক্ষণ বর্মণের বাড়ির পাশের কালী মন্দিরে প্রবেশ করে ওই নারী প্রতিমা ভাঙচুর করেন এবং সড়কে এনে ফেলে দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তার পিছু নিলে তিনি স্থানীয় গোয়ালপাড়া বাজারে চলে যান। এ সময়  স্থানীয় লোকজন পুলিশকে জানালে সদর থানা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে।

খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফ হোসেনও ঘটনাস্থলে যান। পঞ্চগড় সদর থানায় পুলিশি হেফাজতে থাকা ওই নারী একেক সময় একেক রকম কথা বলছেন। তিনি নিজের নাম সুমি আক্তার বানু বললেও আর কিছুই বলছেন না।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, ‘থানায় নিয়ে আসা ওই নারী অসংলগ্ন কথা-বার্তা বলছেন। আমরা তার সঠিক পরিচয় জানার চেষ্টা করছি। তবে তার কথা শুনে তিনি উত্তরবঙ্গেরই কোনো এলাকার হবেন বলে মনে হচ্ছে।’

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়ল ১৭ পয়সা

প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে নারী আটক

আপডেটের সময় : ০৬:০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে রোববার সদর উপজেলার গরিনাবাড়ি ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকায় পঞ্চগড়-আটোয়ারী সড়কের পাশে একটি কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। ওই নারী অসংলগ্ন কথা-বার্তা বলায় তিনি  মানসিক ভারসাম্যহীন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ওই নারীর পরিচয় জানার চেষ্টা করছে । তার আনুমানিক বয়স ৩৫ হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোয়ালপাড়া এলাকার লক্ষণ বর্মণের বাড়ির পাশের কালী মন্দিরে প্রবেশ করে ওই নারী প্রতিমা ভাঙচুর করেন এবং সড়কে এনে ফেলে দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তার পিছু নিলে তিনি স্থানীয় গোয়ালপাড়া বাজারে চলে যান। এ সময়  স্থানীয় লোকজন পুলিশকে জানালে সদর থানা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে।

খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফ হোসেনও ঘটনাস্থলে যান। পঞ্চগড় সদর থানায় পুলিশি হেফাজতে থাকা ওই নারী একেক সময় একেক রকম কথা বলছেন। তিনি নিজের নাম সুমি আক্তার বানু বললেও আর কিছুই বলছেন না।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, ‘থানায় নিয়ে আসা ওই নারী অসংলগ্ন কথা-বার্তা বলছেন। আমরা তার সঠিক পরিচয় জানার চেষ্টা করছি। তবে তার কথা শুনে তিনি উত্তরবঙ্গেরই কোনো এলাকার হবেন বলে মনে হচ্ছে।’

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট