/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেটের ভেতর ১৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক যাত্রী

আইএনবি নিউজ: হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোঃ সুজন মিয়া নামে এক ব্যাক্তিকে ১ হাজার ৭শ নব্বই পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস অ্যান্ড মিডিয়া) আলমগীর হোসেন নিশ্চিত করে জানান, বিমানবন্দর থানায় এ সংক্রান্তে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটক মোঃ সুজন মিয়া জামালপুর জেলার বক্সীগঞ্জ থানার কুশলনগর গ্রামের মোঃ আব্দুল মজিদের পুত্র।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার সময় মোঃ সুজন মিয়া (২৮) বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বর্হিগামী রাস্তার ডানে গাড়িপার্কিং এলাকায় সন্দেহজনক ঘোরাফেরা করছিলো। আর্মড পুলিশের দায়িত্বরত সদস্যরা ধৃত আসামীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এসময় সে পুলিশের উপস্থিতি দেখে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে তাকে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের হেফাজতে নিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে পেটের ভিতর ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। পররবর্তিতে বিশেষ কায়দায় আট ঘণ্টা পর তা বের করে আনা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে বরিশালের জনৈক হাসানের অর্থায়নে সে এই ইয়াবা বহন করেছে। উল্লেখ্য, সে কক্সবাজার থেকে এই ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় আসে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

পেটের ভেতর ১৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক যাত্রী

আপডেটের সময় : ০৫:৩৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

আইএনবি নিউজ: হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোঃ সুজন মিয়া নামে এক ব্যাক্তিকে ১ হাজার ৭শ নব্বই পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস অ্যান্ড মিডিয়া) আলমগীর হোসেন নিশ্চিত করে জানান, বিমানবন্দর থানায় এ সংক্রান্তে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটক মোঃ সুজন মিয়া জামালপুর জেলার বক্সীগঞ্জ থানার কুশলনগর গ্রামের মোঃ আব্দুল মজিদের পুত্র।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার সময় মোঃ সুজন মিয়া (২৮) বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বর্হিগামী রাস্তার ডানে গাড়িপার্কিং এলাকায় সন্দেহজনক ঘোরাফেরা করছিলো। আর্মড পুলিশের দায়িত্বরত সদস্যরা ধৃত আসামীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এসময় সে পুলিশের উপস্থিতি দেখে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে তাকে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের হেফাজতে নিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে পেটের ভিতর ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। পররবর্তিতে বিশেষ কায়দায় আট ঘণ্টা পর তা বের করে আনা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে বরিশালের জনৈক হাসানের অর্থায়নে সে এই ইয়াবা বহন করেছে। উল্লেখ্য, সে কক্সবাজার থেকে এই ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় আসে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট