/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে বিছানায় মিলল জাপা নেতার রক্তাক্ত মরদেহ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:পঞ্চগড় সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট পাথর ব্যবসায়ী গোলাম আযমের (৫৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় নিজ বাড়ির বিছানা থেকে করেছে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা, গোলাম আযমকে মাথায় আঘাত করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, স্ত্রীসহ তিন সন্তান নিয়ে জেলা শহরের ধাক্কামারা ইউনিয়নের ঘাটিয়ারপাড়া এলাকায় ওই বাড়িতে বসবাস করতেন গোলাম আযম। তার বড় ছেলে লিমন বাইরে থেকে পড়াশুনা করছে। বাড়িতে তিনিসহ স্ত্রী বন্যা আক্তার, ছেলে বাধন ও ছোট মেয়ে পিংকি থাকতেন।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল সন্ধ্যার পর গোলাম আযমের মেয়ে পিংকি বাবাকে ডাকতে তার রুমে ঢোকে। এ সময় বাবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে সে তার মা ও ভাইকে ডাকে। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা থাকার পরও এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

এ ব্যাপারে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যসহ যাকেই সন্দেহ হচ্ছে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। পিবিআই, সিআইডিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরে আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন

পঞ্চগড়ে বিছানায় মিলল জাপা নেতার রক্তাক্ত মরদেহ

আপডেটের সময় : ০৭:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ মার্চ ২০২২

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:পঞ্চগড় সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট পাথর ব্যবসায়ী গোলাম আযমের (৫৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় নিজ বাড়ির বিছানা থেকে করেছে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা, গোলাম আযমকে মাথায় আঘাত করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, স্ত্রীসহ তিন সন্তান নিয়ে জেলা শহরের ধাক্কামারা ইউনিয়নের ঘাটিয়ারপাড়া এলাকায় ওই বাড়িতে বসবাস করতেন গোলাম আযম। তার বড় ছেলে লিমন বাইরে থেকে পড়াশুনা করছে। বাড়িতে তিনিসহ স্ত্রী বন্যা আক্তার, ছেলে বাধন ও ছোট মেয়ে পিংকি থাকতেন।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল সন্ধ্যার পর গোলাম আযমের মেয়ে পিংকি বাবাকে ডাকতে তার রুমে ঢোকে। এ সময় বাবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে সে তার মা ও ভাইকে ডাকে। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা থাকার পরও এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

এ ব্যাপারে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যসহ যাকেই সন্দেহ হচ্ছে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। পিবিআই, সিআইডিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরে আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট