/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিঃস্ব হয়ে মালয়েশিয়া ত্যাগ করছে বাংলাদেশীরা

আইএনবি ডেস্ক: বৈধ এবং অবৈধ পন্থায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশীরা। এক প্রকার প্রতারনায় নিঃস্ব হয়ে মালয়েশিয়া ত্যাগ করেছে অবৈধ বাংলাদেশীরা। এজেন্টকে লক্ষাধিক টাকা দিলেও ভিসা মেলেনি মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া বৈধ হওয়ার সুযোগে। দীর্ঘদিন বৈধ হওয়ার আশায় মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে ভিসা হবে বলে আশায় বুক বাঁধলেও, শেষ পর্যন্ত সে দেশের সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে বৈধতা হারায় প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশী।

বৈধতা না পেয়ে আশায় বুক বেঁধে ছিলেন । পাসপোর্ট এজেন্টের কাছে জমা থাকার কারণে মাঝেমধ্যেই তারা এজেন্টকে টাকা দিতো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিসা তো দুরের কথা, পাসপোর্ট পর্যন্ত ফেরত পায়নি বহু বাংলাদেশী।

মালয়েশিয়ার কলকারখানা খ্যাত পেনাং শহরের বাংলাদেশি জিল্লু এই প্রতিবেদককে বলেন, আমিন নামে এক বাংলাদেশীর কোম্পানিতে বৈধ হওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করার পরেও বৈধতা পাইনি শতাধিক বাংলাদেশী। কিন্তু বৈধতা না পেলেও প্রত্যেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে ৮০ থেকে ১ লক্ষ টাকা করে। অবশেষে সরকারের দেওয়া ব্যাগ ফর গুডের আওতায় দেশে ফিরছি আমরা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করলো ভারত, দুই মাসে আসলো ৫০০ টন

নিঃস্ব হয়ে মালয়েশিয়া ত্যাগ করছে বাংলাদেশীরা

আপডেটের সময় : ১০:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯

আইএনবি ডেস্ক: বৈধ এবং অবৈধ পন্থায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশীরা। এক প্রকার প্রতারনায় নিঃস্ব হয়ে মালয়েশিয়া ত্যাগ করেছে অবৈধ বাংলাদেশীরা। এজেন্টকে লক্ষাধিক টাকা দিলেও ভিসা মেলেনি মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া বৈধ হওয়ার সুযোগে। দীর্ঘদিন বৈধ হওয়ার আশায় মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে ভিসা হবে বলে আশায় বুক বাঁধলেও, শেষ পর্যন্ত সে দেশের সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে বৈধতা হারায় প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশী।

বৈধতা না পেয়ে আশায় বুক বেঁধে ছিলেন । পাসপোর্ট এজেন্টের কাছে জমা থাকার কারণে মাঝেমধ্যেই তারা এজেন্টকে টাকা দিতো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিসা তো দুরের কথা, পাসপোর্ট পর্যন্ত ফেরত পায়নি বহু বাংলাদেশী।

মালয়েশিয়ার কলকারখানা খ্যাত পেনাং শহরের বাংলাদেশি জিল্লু এই প্রতিবেদককে বলেন, আমিন নামে এক বাংলাদেশীর কোম্পানিতে বৈধ হওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করার পরেও বৈধতা পাইনি শতাধিক বাংলাদেশী। কিন্তু বৈধতা না পেলেও প্রত্যেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে ৮০ থেকে ১ লক্ষ টাকা করে। অবশেষে সরকারের দেওয়া ব্যাগ ফর গুডের আওতায় দেশে ফিরছি আমরা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট