আইএনবি ডেস্ক: বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজধানীর প্রবেশমুখ গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সোমবার (২ নভেম্বর ২০২৬) মহাসড়ক অবরোধের ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সচিবালয়ে পোশাক শ্রমিক নেতাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশসহ ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে পরিস্থিতি শান্ত করতে ও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সাথে আলোচনা চলছে। আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানিয়েছেন, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করা বন্ধ এবং বিভিন্ন অজুহাতে কারখানা কর্তৃপক্ষের ইচ্ছেমতো শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এর আগে গতকাল রোববার সাভারের আশুলিয়া ও ঢাকার মিরপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে একই ধরণের অসন্তোষ দেখা দেয়। শ্রমিকদের আন্দোলনের তীব্রতায় আশুলিয়ার অন্তত ৫০টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। গতকাল সকাল থেকে মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় সড়ক অবরোধ করে পোশাকশ্রমিকেরা বিক্ষোভ করায় যানচলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর আগের দিন শনিবারও একই দাবিতে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছিলেন তারা।
এদিকে বিক্ষোভকারী পোশাকশ্রমিকদের সুযোগ নিয়ে সরকারবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চক্র আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং বোর্ডের মাধ্যমেই এ বিষয়ে যাবতীয় কার্যক্রম চলবে। এ বিষয়টি শ্রমিকদের বারবার বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তারা সড়ক ছাড়ছেন না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রিন্ট

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৭০ জন 










