/* */
Dhaka , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘট চলছে

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে দ্বিতীয় দিনের মতো পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘট চলছে। পাথর কোয়ারি খুলে দেয়ার দাবিতে সোমবার সকাল থেকে সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ মালিক সমিতির ডাকে এ ধর্মঘট শুরু হয়েছিলো। আজ মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে তাদের ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট।

এদিকে- পণ্যবাহী পরিবহন বন্ধ থাকার কারনে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সবজি সহ নিত্যপণ্য সিলেটে আসা বন্ধ রয়েছে। একইভাবে সিলেট থেকে পাথর, কয়লা সহ অন্যান্য পণ্য বাইরে যেতে পারছে না।

ধর্মঘট আহবানকারী পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন- প্রথম দফা তাদের ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটে কোনো সুরাহা না হলে বৃহস্পতিবার তারা সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় মহাসমাবেশ করবেন। এরপর সেখানে থেকে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সাংগঠনিক সম্পাদক শাব্বির আহমদ ফয়েজ জানিয়েছেন- গত ৫ বছর ধরে সিলেটের সব পাথর কোয়ারি বন্ধ রয়েছে। এতে করে পণ্য পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকরা লোকসানে রয়েছেন। অনেকেই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। এ কারণে বাধ্য হয়ে তারা ধর্মঘটে গেছেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়ল ১৭ পয়সা

সিলেটে পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘট চলছে

আপডেটের সময় : ০৫:৪৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে দ্বিতীয় দিনের মতো পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘট চলছে। পাথর কোয়ারি খুলে দেয়ার দাবিতে সোমবার সকাল থেকে সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ মালিক সমিতির ডাকে এ ধর্মঘট শুরু হয়েছিলো। আজ মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে তাদের ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট।

এদিকে- পণ্যবাহী পরিবহন বন্ধ থাকার কারনে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সবজি সহ নিত্যপণ্য সিলেটে আসা বন্ধ রয়েছে। একইভাবে সিলেট থেকে পাথর, কয়লা সহ অন্যান্য পণ্য বাইরে যেতে পারছে না।

ধর্মঘট আহবানকারী পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন- প্রথম দফা তাদের ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটে কোনো সুরাহা না হলে বৃহস্পতিবার তারা সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় মহাসমাবেশ করবেন। এরপর সেখানে থেকে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সাংগঠনিক সম্পাদক শাব্বির আহমদ ফয়েজ জানিয়েছেন- গত ৫ বছর ধরে সিলেটের সব পাথর কোয়ারি বন্ধ রয়েছে। এতে করে পণ্য পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকরা লোকসানে রয়েছেন। অনেকেই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। এ কারণে বাধ্য হয়ে তারা ধর্মঘটে গেছেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট