/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাত্রী ও পরিবহনের চাপ বাড়ছে শিমুলিয়া ঘাটে

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঈদকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে ।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকেই এই ঘাট এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেলসহ অন্য হালকা পরিবহনসহ প্রায় দুই শতাধিক যানবাহনকে শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।

তবে এই নৌপথ পারাপারের ক্ষেত্রে যাত্রীদের ফেরির তুলনায় লঞ্চের প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা গেছে। বর্তমানে এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে মাত্র ৮টি ফেরিতে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন জানান, ‘বুধবার সকাল থেকেই পণ্যবাহী ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের হালকা পরিবহন ঘটে ফেরির জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।’

বিআইডব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া ঘাটের পরিবহন পরিদর্শক মো. সোলেমান জানান, বর্তমানে এই নৌপথে ১৫২টি স্পিডবোট ও ৮০টি লঞ্চ চলাচল করছে। ফেরির সংখ্যা কম থাকায় লঞ্চেই বেশি সংখ্যক যাত্রী পার হচ্ছেন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়ল ১৭ পয়সা

যাত্রী ও পরিবহনের চাপ বাড়ছে শিমুলিয়া ঘাটে

আপডেটের সময় : ০৮:৪১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০২২

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঈদকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে ।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকেই এই ঘাট এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেলসহ অন্য হালকা পরিবহনসহ প্রায় দুই শতাধিক যানবাহনকে শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।

তবে এই নৌপথ পারাপারের ক্ষেত্রে যাত্রীদের ফেরির তুলনায় লঞ্চের প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা গেছে। বর্তমানে এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে মাত্র ৮টি ফেরিতে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন জানান, ‘বুধবার সকাল থেকেই পণ্যবাহী ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের হালকা পরিবহন ঘটে ফেরির জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।’

বিআইডব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া ঘাটের পরিবহন পরিদর্শক মো. সোলেমান জানান, বর্তমানে এই নৌপথে ১৫২টি স্পিডবোট ও ৮০টি লঞ্চ চলাচল করছে। ফেরির সংখ্যা কম থাকায় লঞ্চেই বেশি সংখ্যক যাত্রী পার হচ্ছেন।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট