/* */
Dhaka , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মা-মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে তিনজনের যাবজ্জীবন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ‘জিনের বাদশা’ প্রতারকচক্রের তিন সদস্যকে  মা-মেয়ে ধর্ষণ ও প্রতারণা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ করে টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমান জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় দেন। এ  সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন খাজা মিয়া (৩৮), বেলাল হোসেন (৪০) ও এমদাদুল হক (৪০)। তাঁদের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন একই উপজেলার আসাদুল ইসলাম (২৫) ও আজিজুল ইসলাম (৩৫)। মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে ‘জিনের বাদশা’ পরিচয়ে জামালপুরের এক নারী ও তাঁর মেয়েকে তিনটি নম্বর থেকে ফোন দেন খাজা মিয়া। গভীর রাতে কণ্ঠ বিকৃত করে ধর্মীয় আলাপের এক পর্যায়ে ধনসম্পদ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন

মা-মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেটের সময় : ০৬:২২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ‘জিনের বাদশা’ প্রতারকচক্রের তিন সদস্যকে  মা-মেয়ে ধর্ষণ ও প্রতারণা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ করে টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমান জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় দেন। এ  সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন খাজা মিয়া (৩৮), বেলাল হোসেন (৪০) ও এমদাদুল হক (৪০)। তাঁদের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন একই উপজেলার আসাদুল ইসলাম (২৫) ও আজিজুল ইসলাম (৩৫)। মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে ‘জিনের বাদশা’ পরিচয়ে জামালপুরের এক নারী ও তাঁর মেয়েকে তিনটি নম্বর থেকে ফোন দেন খাজা মিয়া। গভীর রাতে কণ্ঠ বিকৃত করে ধর্মীয় আলাপের এক পর্যায়ে ধনসম্পদ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট