/* */
Dhaka , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হেফাজত নেতা মামুনুল গ্রেপ্তার

আইএনবি ডেস্ক: রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে দুপুর ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর মামুনুলকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর নিয়ে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও রিসোর্টকাণ্ডে রাজধানীর পল্টন ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দুটি মামলা হয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।

মামুনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশীদ।

গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন রয়েল রিসোর্টে নারীসঙ্গীসহ স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়ার পর ছাড়া পেয়ে রাতেই ঢাকায় চলে আসেন তিনি। ঢাকার মোহাম্মদপুরের কাদিরাবাদ হাউজিংয়ের নিজ বাসায় না গিয়ে তিনি পাশেই জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় যান। সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

মাদরাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে- এ কারণে পাশেই নিজের বাসা হলেও তিনি সেখানে যাননি। মাদরাসার একটি কক্ষে অবস্থান করে মাঝে মধ্যে ফেসবুকে এসে বক্তব্য দিতেন। তবে সর্বশেষ লাইভে এসে দ্বিতীয় বিয়ের দাবির স্বপক্ষে স্ত্রীর কাছে সত্য গোপন করার অবকাশ রয়েছে এমন বক্তব্য দিয়ে নিজ দলের আলেম-ওলামাদের কাছে সমালোচনার শিকার হন। পরে চাপের মুখে সেই ভিডিও নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ডিলিটও করে দেন।

অবশেষে রবিবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকেই গ্রেপ্তার হলেন এই হেফাজত নেতা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করল সিলেট বিএনপি

হেফাজত নেতা মামুনুল গ্রেপ্তার

আপডেটের সময় : ০৮:০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

আইএনবি ডেস্ক: রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে দুপুর ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর মামুনুলকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর নিয়ে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও রিসোর্টকাণ্ডে রাজধানীর পল্টন ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দুটি মামলা হয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।

মামুনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশীদ।

গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন রয়েল রিসোর্টে নারীসঙ্গীসহ স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়ার পর ছাড়া পেয়ে রাতেই ঢাকায় চলে আসেন তিনি। ঢাকার মোহাম্মদপুরের কাদিরাবাদ হাউজিংয়ের নিজ বাসায় না গিয়ে তিনি পাশেই জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় যান। সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

মাদরাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে- এ কারণে পাশেই নিজের বাসা হলেও তিনি সেখানে যাননি। মাদরাসার একটি কক্ষে অবস্থান করে মাঝে মধ্যে ফেসবুকে এসে বক্তব্য দিতেন। তবে সর্বশেষ লাইভে এসে দ্বিতীয় বিয়ের দাবির স্বপক্ষে স্ত্রীর কাছে সত্য গোপন করার অবকাশ রয়েছে এমন বক্তব্য দিয়ে নিজ দলের আলেম-ওলামাদের কাছে সমালোচনার শিকার হন। পরে চাপের মুখে সেই ভিডিও নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ডিলিটও করে দেন।

অবশেষে রবিবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকেই গ্রেপ্তার হলেন এই হেফাজত নেতা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট