রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর জেলা তথ্য বাতায়নের অন্তর্ভুক্ত ১১৫টি সরকারি অফিসের মধ্যে ১০১টির ওয়েবসাইটে তথ্য হালনাগাদ না থাকার তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এই চিত্র তুলে ধরা হয়। রংপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজন এবং সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-টিআইবি, রংপুরের সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এ বছরের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ: অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা’।
সভায় টিআইবি রংপুরের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর মো. আলমগীর কবির ‘রংপুর জেলার সরকারি অফিসসমূহের ওয়েব পোর্টাল পর্যবেক্ষণ ২০২৬’ শীর্ষক তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। গত ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর জেলার ১১৫টি সরকারি অফিসের ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, মাত্র ১৪টি অফিসের ওয়েবসাইটে শতভাগ তথ্য হালনাগাদ রয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি অফিসের ওয়েবসাইটে ৮৬ শতাংশ, ৩২টিতে ৭১ শতাংশ, ২২টিতে ৫৭ শতাংশ এবং ১২টিতে ৫০ শতাংশ তথ্য হালনাগাদ রয়েছে। এছাড়া তিনটি অফিসের হালনাগাদ তথ্য কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, ২০২৫ সালের তুলনায় এ বছর ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ড ও খবরের তথ্য হালনাগাদের হার কিছুটা কমলেও অফিসপ্রধান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য আগের মতোই রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন যে গুজব ও অপতথ্য কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের একক সমস্যা নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহজলভ্যতা ও অপব্যবহারের কারণে বর্তমানে এটি মহামারি আকার ধারণ করেছে। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রমিজ আলম, আঞ্চলিক তথ্য অফিস রংপুরের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. শাহজাহান আলী, সনাক রংপুরের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট দিলরুবা জামান, সিদ্দিকুর রহমান এবং রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক। আলোচনা শেষে সনাকের পক্ষ থেকে সরকারি ওয়েবসাইটে নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ, পূর্ণাঙ্গ যোগাযোগের নম্বর যুক্ত করা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রিন্ট

৬৮ এসিল্যান্ড প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি 













