/* */
Dhaka , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় এক বাড়ির এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরার সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের আবাসিক সংযোগে মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার একটি অস্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য বিল এসেছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের এই বিলটিতে মূল ব্যবহারের পরিবর্তে ডিমান্ড চার্জ বাবদ ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা এবং ভ্যাট হিসেবে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭০ টাকার বেশি যুক্ত করা হয়, যেখানে স্বাভাবিক নিয়মে বিলম্ব মাশুলসহ বিলটি সর্বোচ্চ দুই হাজার ৫৬ টাকা হওয়ার কথা ছিল।

অস্বাভাবিক এই বিল পাওয়ার পর গ্রাহক ও তার পরিবারে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ভুক্তভোগী একে ‘ভুতুড়ে ও আজগুবি’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম জানান যে মিটার পরিবর্তনের সময় যান্ত্রিক ও অসাবধানতাবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে ভুলভাবে পোস্টিং হওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত সংশোধন করে পরিমার্জিত বিল গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে এমন চরম গাফিলতির ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে ডিজিএম মো. রেজাউল করিম ও বিলিং সহকারী সোমা রানিসহ মোট চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় এক বাড়ির এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

মাগুরায় এক বাড়ির এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

আপডেটের সময় : ১১:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরার সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের আবাসিক সংযোগে মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার একটি অস্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য বিল এসেছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের এই বিলটিতে মূল ব্যবহারের পরিবর্তে ডিমান্ড চার্জ বাবদ ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা এবং ভ্যাট হিসেবে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭০ টাকার বেশি যুক্ত করা হয়, যেখানে স্বাভাবিক নিয়মে বিলম্ব মাশুলসহ বিলটি সর্বোচ্চ দুই হাজার ৫৬ টাকা হওয়ার কথা ছিল।

অস্বাভাবিক এই বিল পাওয়ার পর গ্রাহক ও তার পরিবারে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ভুক্তভোগী একে ‘ভুতুড়ে ও আজগুবি’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম জানান যে মিটার পরিবর্তনের সময় যান্ত্রিক ও অসাবধানতাবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে ভুলভাবে পোস্টিং হওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত সংশোধন করে পরিমার্জিত বিল গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে এমন চরম গাফিলতির ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে ডিজিএম মো. রেজাউল করিম ও বিলিং সহকারী সোমা রানিসহ মোট চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট