/* */
Dhaka , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ সীমান্ত পাহারায় সাপ ও কুমির ব্যবহার করবে বিএসএফ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এমন একটি পরিকল্পনা করছে যা সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। সীমান্তের ১৭৫ কিলোমিটার নদী ও জলাভূমিতে সাধারণ কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ভারতীয় বাহিনী ভাবছে সেখানে সাপ ও কুমির মোতায়েনের কথা!

বাংলাদেশ সীমান্তের মোট ৪,০৯৬ দশমিক ৭ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৩,২৪০ কিলোমিটারে কাঁটাতারের বেড়া আছে। বাকি ৮৫০ কিলোমিটারের মধ্যে সেই ১৭৫ কিলোমিটার এমন এলাকা, যেখানে নদী ও জলাভূমির কারণে বেড়া দেওয়া দায়সাধ্য নয়। বিএসএফ সূত্র জানিয়েছে, জনবল সংকট এবং শারীরিক অযোগ্যতা মোকাবিলায় তারা প্রকৃতিকে ‘সাহায্যকারী সেনা’ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে।

বাহিনীর এই পরিকল্পনাকে তারা ‘প্রতিরোধমূলক’ বললেও এই সিদ্ধান্ত হাস্যরস ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

এমন পরিকল্পনার সাথে যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যালিগেটর আলকাটরাজ’ উদাহরণ তুলনা করা হচ্ছে, যেখানে বন্দিদের পালানো রোধ করতে কুমির ব্যবহার করা হয়।

বর্তমানে বিএসএফ প্রায় আড়াই লাখ জনবল দিয়ে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত পাহারা দেয়। প্রতি কিলোমিটারে মাত্র ৪১ জন, যার মধ্যে ২০ শতাংশ শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট নয়। তাই নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য প্রকৃতিকে ব্যবহার করার এই কৌশল অনেকটাই নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাকার ঢাল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: দ্য ফেডারেল

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় এক বাড়ির এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

বাংলাদেশ সীমান্ত পাহারায় সাপ ও কুমির ব্যবহার করবে বিএসএফ?

আপডেটের সময় : ০৪:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এমন একটি পরিকল্পনা করছে যা সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। সীমান্তের ১৭৫ কিলোমিটার নদী ও জলাভূমিতে সাধারণ কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ভারতীয় বাহিনী ভাবছে সেখানে সাপ ও কুমির মোতায়েনের কথা!

বাংলাদেশ সীমান্তের মোট ৪,০৯৬ দশমিক ৭ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৩,২৪০ কিলোমিটারে কাঁটাতারের বেড়া আছে। বাকি ৮৫০ কিলোমিটারের মধ্যে সেই ১৭৫ কিলোমিটার এমন এলাকা, যেখানে নদী ও জলাভূমির কারণে বেড়া দেওয়া দায়সাধ্য নয়। বিএসএফ সূত্র জানিয়েছে, জনবল সংকট এবং শারীরিক অযোগ্যতা মোকাবিলায় তারা প্রকৃতিকে ‘সাহায্যকারী সেনা’ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে।

বাহিনীর এই পরিকল্পনাকে তারা ‘প্রতিরোধমূলক’ বললেও এই সিদ্ধান্ত হাস্যরস ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

এমন পরিকল্পনার সাথে যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যালিগেটর আলকাটরাজ’ উদাহরণ তুলনা করা হচ্ছে, যেখানে বন্দিদের পালানো রোধ করতে কুমির ব্যবহার করা হয়।

বর্তমানে বিএসএফ প্রায় আড়াই লাখ জনবল দিয়ে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত পাহারা দেয়। প্রতি কিলোমিটারে মাত্র ৪১ জন, যার মধ্যে ২০ শতাংশ শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট নয়। তাই নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য প্রকৃতিকে ব্যবহার করার এই কৌশল অনেকটাই নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাকার ঢাল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: দ্য ফেডারেল

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট