/* */
Dhaka , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া

আইএনবি ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাসের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (৩ মার্চ) সকালে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। এর ফলে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায়ই বহাল থাকলো।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্ট এই মামলায় খালেদা জিয়াকে খালাস দেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। সেই আপিলের শুনানি শেষে আজ আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেন।

২০১৮ সালের অক্টোবরে বিশেষ জজ আদালত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় একে একে সব মামলায় খালাস পান খালেদা জিয়া। এই মামলার সর্বশেষ রায়ে তার দণ্ডও চূড়ান্তভাবে বাতিল হলো।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করল সিলেট বিএনপি

জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া

আপডেটের সময় : ০৮:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

আইএনবি ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাসের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (৩ মার্চ) সকালে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। এর ফলে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায়ই বহাল থাকলো।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্ট এই মামলায় খালেদা জিয়াকে খালাস দেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। সেই আপিলের শুনানি শেষে আজ আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেন।

২০১৮ সালের অক্টোবরে বিশেষ জজ আদালত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় একে একে সব মামলায় খালাস পান খালেদা জিয়া। এই মামলার সর্বশেষ রায়ে তার দণ্ডও চূড়ান্তভাবে বাতিল হলো।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট