/* */
Dhaka , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইসোলেশনে দুই রোগীর মৃত্যু, করোনা সন্দেহে জটিলতা

আইএনবি নিউজ: রাজধানীর শহীদ সোহারাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে দুই দিনে দুই রোগীর মৃত্যুর পর করোনা সন্দেহে জটিলতা তৈরি হয়েছে। জ্বরসহ করোনার লক্ষণ নিয়ে একজন মঙ্গলবার ও আরেকজন বুধবার মারা যান। পরীক্ষার মাধ্যমে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা নিশ্চিত না হওয়ার কারণে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত স্বজনরা তাদের লাশ দাফনের জন্য নিতে পারেনি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, একজনের পরীক্ষায় করোনাভাইরাস ছিলোনা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আজ দুই মৃতের পরিবারই লাশ দাফনের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।

শহীদ সোহারাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. মামুন মোর্শেদ বলেন, আইসোলেশনে মঙ্গলবার রাতে একজন এবং বুধবার সকালের একজন মারা গেছেন। আজ প্রথমজনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। নেগেটিভ আসছে। অন্যজনের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ও আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সহায়তায় স্বজনরা লাশ নিয়ে যাবেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, পরপর দুজনের মৃত্যুর পর রিপোর্ট না দিয়ে চিকিৎসকরা লাশ নিয়ে যেতে বললে জটিলতা তৈরি হয়। স্বজনরা নিশ্চিত নন যে মৃতরা করোনায় আক্রান্ত কিনা। একদিন অপেক্ষার পর তারা হট্টোগোল শুরু করেন। পরে একজনের নেগেটিভ বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ লাশ নেওয়ার জন্য রোগীদের বোঝানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বয়কট করল সিলেট বিএনপি

আইসোলেশনে দুই রোগীর মৃত্যু, করোনা সন্দেহে জটিলতা

আপডেটের সময় : ০৭:৪৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০

আইএনবি নিউজ: রাজধানীর শহীদ সোহারাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে দুই দিনে দুই রোগীর মৃত্যুর পর করোনা সন্দেহে জটিলতা তৈরি হয়েছে। জ্বরসহ করোনার লক্ষণ নিয়ে একজন মঙ্গলবার ও আরেকজন বুধবার মারা যান। পরীক্ষার মাধ্যমে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা নিশ্চিত না হওয়ার কারণে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত স্বজনরা তাদের লাশ দাফনের জন্য নিতে পারেনি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, একজনের পরীক্ষায় করোনাভাইরাস ছিলোনা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আজ দুই মৃতের পরিবারই লাশ দাফনের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।

শহীদ সোহারাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. মামুন মোর্শেদ বলেন, আইসোলেশনে মঙ্গলবার রাতে একজন এবং বুধবার সকালের একজন মারা গেছেন। আজ প্রথমজনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। নেগেটিভ আসছে। অন্যজনের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ও আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সহায়তায় স্বজনরা লাশ নিয়ে যাবেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, পরপর দুজনের মৃত্যুর পর রিপোর্ট না দিয়ে চিকিৎসকরা লাশ নিয়ে যেতে বললে জটিলতা তৈরি হয়। স্বজনরা নিশ্চিত নন যে মৃতরা করোনায় আক্রান্ত কিনা। একদিন অপেক্ষার পর তারা হট্টোগোল শুরু করেন। পরে একজনের নেগেটিভ বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ লাশ নেওয়ার জন্য রোগীদের বোঝানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট