/* */
Dhaka , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়

যশোর প্রতিনিধি : যশোরে দুই ছেলেসহ ৫ জনকে আসামি করে মোহাম্মদ সিরাজ নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও মুক্তিপণ বাবদ চার লাখ টাকার ব্যাংক চেক লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহম্মেদ অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে আদেশ দিয়েছেন।

মোহাম্মদ সিরাজ শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়ার আব্দুস সোবহানের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন, মোহাম্মদ সিরাজের দুই ছেলে বাদল ও সোহাগ এবং একই এলাকার শাহনাজ, আকাশ ও রিয়াদ।

মোহাম্মদ সিরাজ মামলায় উল্লেখ করেছেন, রোববার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে তার ছেলে বাদল মোবাইল ফোন করে জরুরি কথা আছে বলে তাকে বেজপাড়া মেইন গেটের সামনে দেখা করতে বলেন। পরে তিনি সেখানে গেলে অজ্ঞাতনামা একজন পুলিশ সদস্যের সহযোগিতায় মোহাম্মদ সিরাজের গলায় ছুরি ধরে বাদলসহ অন্য আসামিরা তাকে একটি মোটরসাইকেলে তুলে দেন। ওই মোটরসাইকেলের চালক ছিল আসামি রিয়াদ। এরপর তাকে নাজির শংকরপুর চাতালের মোড় এলাকায় নিয়ে সেখানে অপেক্ষমান একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে মাগুরার বড় শলোয় গ্রামে নিয়ে আটকে রাখে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। কোনো উপায় না পেয়ে সিরাজ তার ছোটবোন শারমিনকে ফোন করে নিজ তার অগ্রণী ব্যাংকের চেকবই বড় শলোয় গ্রামে নিয়ে আসতে বলেন। শারমিন চেকবই সেখানে নিয়ে গেলে একটি চেকপাতায় চার লাখ টাকা লিখে দেন। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুক্তি পেলে যশোরে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুটকেস খুলতেই নারীর অর্ধগলিত লাশ

বাবাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়

আপডেটের সময় : ০৫:৪৬:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

যশোর প্রতিনিধি : যশোরে দুই ছেলেসহ ৫ জনকে আসামি করে মোহাম্মদ সিরাজ নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও মুক্তিপণ বাবদ চার লাখ টাকার ব্যাংক চেক লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহম্মেদ অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে আদেশ দিয়েছেন।

মোহাম্মদ সিরাজ শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়ার আব্দুস সোবহানের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন, মোহাম্মদ সিরাজের দুই ছেলে বাদল ও সোহাগ এবং একই এলাকার শাহনাজ, আকাশ ও রিয়াদ।

মোহাম্মদ সিরাজ মামলায় উল্লেখ করেছেন, রোববার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে তার ছেলে বাদল মোবাইল ফোন করে জরুরি কথা আছে বলে তাকে বেজপাড়া মেইন গেটের সামনে দেখা করতে বলেন। পরে তিনি সেখানে গেলে অজ্ঞাতনামা একজন পুলিশ সদস্যের সহযোগিতায় মোহাম্মদ সিরাজের গলায় ছুরি ধরে বাদলসহ অন্য আসামিরা তাকে একটি মোটরসাইকেলে তুলে দেন। ওই মোটরসাইকেলের চালক ছিল আসামি রিয়াদ। এরপর তাকে নাজির শংকরপুর চাতালের মোড় এলাকায় নিয়ে সেখানে অপেক্ষমান একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে মাগুরার বড় শলোয় গ্রামে নিয়ে আটকে রাখে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। কোনো উপায় না পেয়ে সিরাজ তার ছোটবোন শারমিনকে ফোন করে নিজ তার অগ্রণী ব্যাংকের চেকবই বড় শলোয় গ্রামে নিয়ে আসতে বলেন। শারমিন চেকবই সেখানে নিয়ে গেলে একটি চেকপাতায় চার লাখ টাকা লিখে দেন। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুক্তি পেলে যশোরে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট